ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
৩০ থেকে ৭০এর দশকেও সুস্থ রাখতে পারে এই অভ্যাস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ার ৮ বিমানবন্দর বন্ধ, আটকা ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫ লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন বাবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম ঠাকুরগাঁও সফর, আবেগঘন বার্তা দিলেন কন্যা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, ভিন্ন চিত্র পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য ১১টি করণীয় আমল সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির ওরিয়েন্টেশন ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কলম্বিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে বিদ্রোহীদের ড্রোন হামলা, নিহত ৩ '৪৩৪১ হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দেবে সরকার'

ওড়না পরা নিয়ে কড়া শাসন সত্ত্বেও যে কারণে উরফির এই অবস্থা

ভারতের আলোচিত ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্সার ও মডেল উরফি জাভেদ নিজের পোশাক নির্বাচনের কারণে প্রায়ই আলোচনায় থাকেন। সাহসী ও ভিন্নধর্মী
  • আপলোড সময় : ৭ মে ২০২৫, দুপুর ১২:১ সময়
  • আপডেট সময় : ৭ মে ২০২৫, দুপুর ১২:১ সময়
ওড়না পরা নিয়ে কড়া শাসন সত্ত্বেও যে কারণে উরফির এই অবস্থা ছবি : সংগৃহীত
ভারতের আলোচিত ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্সার ও মডেল উরফি জাভেদ নিজের পোশাক নির্বাচনের কারণে প্রায়ই আলোচনায় থাকেন। সাহসী ও ভিন্নধর্মী পোশাকের জন্য অনেকে তাকে সমালোচনা করেন, আবার অনেকে প্রশংসাও করেন। তবে এই পোশাকচর্চার পেছনের বাস্তবতা এবার নিজেই তুলে ধরলেন তিনি।

এক সাম্প্রতিক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে উরফি জানান, তিনি পাঞ্জাবি পরিবারে বড় হয়েছেন, যেখানে পোশাক নিয়ে কড়াকড়ি ছিল অনেক বেশি। ছোটবেলায় তাকে নিয়মিত রক্ষণশীল পোশাক পরতে হতো, এমনকি ওড়না সঠিকভাবে না পরলে তার বাবার শাস্তির মুখোমুখি হতে হতো।

এই অভিজ্ঞতাই তাকে ভিন্নভাবে চিন্তা করতে শেখায়। তিনি বলেন, সেই কঠিন সময় থেকেই নিজের মতো করে বাঁচার এবং নিজের শরীর ও পোশাক নিয়ে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার তাগিদ অনুভব করতে থাকেন।

উরফি আরও বলেন, “আমি চাই না কোনো কিছু আমাকে নিয়ন্ত্রণ করুক। আমার শরীর ও মন—দুটোকেই স্বাধীন মনে করতে চাই। এ কারণে অনেক সময় আমি অন্তর্বাস পরি না। এটা আমার ব্যক্তিগত পছন্দ ও স্বাধীনতার অংশ।”
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?

রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?