ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
বিগত স্বৈরাচার ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাচ্চাদের জন্য টিকা আনেনি: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি জাহাজ নিরাপদে চলাচলে ইরানকে আবার অনুরোধ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু কেলির ফিফটিতে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে নিউজিল্যান্ড হরমুজে ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নিরাপদ চলাচলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ইরানের নির্দেশনা আগামীবার হজের খরচ যেন মধ্যবিত্তের নাগালে থাকে সে ব্যবস্থা করবো: বিমান প্রতিমন্ত্রী জাল সনদে ফুয়েল কার্ড নিতে গিয়ে দুই যুবক আটক-জরিমানা লেবাননে বুলডোজার দিয়ে একের পর এক ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ইসরায়েল বিএনপির মনোনয়ন পেলেন না সেই ফারজানা সিঁথি বিএনপির মনোনয়ন পেলেন না আলোচনায় থাকা চমক

মিসওয়াকের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ফযিলত

প্রত্যেক অযুর পূর্বে মিসওয়াক করা সুন্নাত। মিসওয়াক ধারণ করার পদ্ধতি হলো- ডান হাতের কনিষ্ঠা আঙ্গুল মিসওয়াকের নিচে রাখবে,
  • আপলোড সময় : ১৪ জুন ২০২৩, দুপুর ১০:২০ সময়
  • আপডেট সময় : ১৪ জুন ২০২৩, দুপুর ১০:২০ সময়
মিসওয়াকের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ফযিলত মিসওয়াকের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ফযিলত

প্রত্যেক অযুর পূর্বে মিসওয়াক করা সুন্নাত। মিসওয়াক ধারণ করার পদ্ধতি হলো- ডান হাতের কনিষ্ঠা আঙ্গুল মিসওয়াকের নিচে রাখবে, বৃদ্ধাঙ্গুল মিসওয়াকের উপরিভাবে মাথার নীচে রাখবে, আর অন্যান্য আঙ্গুল মেসওয়াকের উপরে রাখবে।

মেসওয়াক হলো মুসলমানদের দাঁত মাজার উপকরণ যা একটি গাছের ডাল, কাঠ বা শিকড়'ও হতে পারে। এটি মুখের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের সুন্নাহ পদ্ধতি। السواك (মিসওয়াক) শব্দটি ساك (সিওয়াক) শব্দমূল থেকে এসেছে। এর আভিধানিক অর্থ হল ঘষা, মাজা বা মর্দন করা। এর সবচেয়ে কাছাকাছি বাংলা প্রতিশব্দ হল দাঁতন। ইসলামি পরিভাষায়, দাঁত থেকে হলুদ বর্ণ বা এ জাতীয় ময়লা দূর করার জন্য কাঠ বা গাছের ডাল ব্যবহার করাকে মিসওয়াক বলে। দীর্ঘ সময় ধরে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হওয়ায় এটি বাংলা ভাষার'ও একটি শব্দ। এটি 'মেসওয়াক' নামে আত্তীকৃত হয়েছে।

একে অনেক ঐতিহাসিকেরা ব্রাশের প্রাথমিক রূপ মনে করেন। কারণ তখনকার যুগে এটিই ছিল দাঁত মাজার একমাত্র মাধ্যম। ইসলামে মেসওয়াক একটি বিশেষ স্থান দখল করে রয়েছে।অযু ও গোসলের পূর্বে মেসওয়াক করা সুন্নত। এছাড়া যেকোন ভালো কাজের পূর্বে নবীজি মেসওয়াক করতেন।

(১) হাদিসে এসেছে, মিওয়াক আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের অন্যতম সহায়ক।

(২) মিসওয়াক করে নামায পড়লে সেই নামাযে ৭০ গুণ বেশি সাওয়াব পাওয়া যায়।

(৩) মৃত্যুর সময় কালিমা নসিব হয়।

(৪) জীবিকা নির্বাহ সহজ হয়।

(৫) মুখ পরিষ্কার হয়।

(৬) দাঁতের মাড়ি মজবুত হয়।

(৭) নিয়মিত মিসওয়াক করলে স্বচ্ছলতা বৃদ্ধি পায়।

(৮) অন্তর পবিত্র হয়।

(৯) সাওয়াব বৃদ্ধি পায়।

(১০) বৃদ্ধি তীক্ষ্ণ হয়। ইত্যাদি।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ