যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের সাফল্যের পর নতুন করে আশার আলো দেখছেন অধিকৃত পশ্চিম তীরের কয়েকজন ফিলিস্তিনি। তাঁদের প্রত্যাশা, কংগ্রেসে ক্ষমতার পরিবর্তনের ফলে ফিলিস্তিনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) আল জাজিরা লাইভের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। পশ্চিম তীরের রামাল্লার ৭১ বছর বয়সী বাসিন্দা হানি লাহরৌব মনে করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নীতি ছিল ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নয়, বরং ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’। তাঁর আশা, মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর এই অবস্থানের পরিবর্তন ঘটতে পারে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ফিলিস্তিন ইস্যু যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারকারী অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এদিকে, অন্য ফিলিস্তিনিরাও আশা করছেন, নতুন কংগ্রেস ফিলিস্তিনি জনগণের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রতিনিধি সংস্থা প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের কূটনৈতিক অবস্থান পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখবে।
রামাল্লার ৮০ বছর বয়সী বাসিন্দা সুলেইমান মালি আশা প্রকাশ করেন, পিএলওর কূটনীতিকেরা আবারও যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার সুযোগ পাবেন। কারণ, ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনি কূটনীতিকদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল এবং ওয়াশিংটনে তাঁদের কার্যালয় বন্ধ করে দিয়েছিল। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে মালি বলেন, ফিলিস্তিনিরা এমন একটি জাতি, যারা বেঁচে থাকতে চায়।
অন্যদিকে, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস ভোটার জরিপে দেখা গেছে, প্রতিনিধি পরিষদ নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে সমর্থন করা প্রতি ১০ জন ভোটারের মধ্যে প্রায় সাতজন মনে করেন, ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি। ফিলিস্তিনিদের প্রত্যাশা, নির্বাচনের পর মার্কিন কংগ্রেসের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা তাঁদের অধিকার ও কূটনৈতিক অবস্থান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করবে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন