ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
ডিজে পার্টি ও মাদক উদ্ধারের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহির কর্মস্থলে অনুপস্থিতির অভিযোগে সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন-অর রশীদকে চাকরিচ্যুত কুমিল্লা বোর্ডে ১৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেননি কোনো শিক্ষার্থী তাহসিফের মৃত্যুর আগে বান্ধবী ও দীপকে নিয়ে বারে দেড় ঘণ্টা অবস্থান শেরপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে ঘিরে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত বেশ কয়েকজন ‘এবারের এইচএসসির ফলাফলই আসলে প্রকৃত চিত্র, বিএনপি সরকারকে সাধুবাদ জানাই’ আন্দোলন করে সরকার গঠন করা যায় না: চিফ হুইপ বরিশাল বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার নেমেছে ৪৪.৮৪ শতাংশে শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান একীভূত করার ভাবনা, শিক্ষকদের চাকরি যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী কারিগরিতে পাসের হার ৪৯.৪৩%, জিপিএ-৫ পাওয়া ৮৮৬ জনের মধ্যে ছাত্রী ৭০৬ জন

কুমিল্লা বোর্ডে ১৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেননি কোনো শিক্ষার্থী

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ছয় জেলার ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এসব
  • আপলোড সময় : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, রাত ৮:৪১ সময়
  • আপডেট সময় : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, রাত ৮:৪১ সময়
কুমিল্লা বোর্ডে ১৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেননি কোনো শিক্ষার্থী
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ছয় জেলার ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্য শতাংশ। প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও ছিল তুলনামূলক কম। সর্বোচ্চ সাতজন এবং তিনটি প্রতিষ্ঠানে মাত্র একজন করে শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। 

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের মিলনায়তনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন। ঘোষিত ফলাফল বিশ্লেষণে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। বোর্ডের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েও কেউ পাস করেননি—এমন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার সুরুজ মেমোরিয়াল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, চাঁদপুরের পৌর শহীদ জাবেদ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং লক্ষ্মীপুরের কেমব্রিজ সিটি কলেজ। দুইজন পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়া শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বগৈর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার ড. এম সামছুল হক মডেল কলেজ।

এ ছাড়া ফেনী সদর উপজেলার বেগম সামছুন্নাহার বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মমতাজ উদ্দিন আখন্দ কলেজ থেকে তিনজন করে পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও কেউ উত্তীর্ণ হননি। পাঁচজন পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়া শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান দুটি হলো কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার অধ্যাপক সেকান্দর আলী ভূঁইয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আপার মডেল কলেজ। লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ছয়জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েও কেউ পাস করতে পারেননি। 

অন্যদিকে, সাতজন করে পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়া তিনটি প্রতিষ্ঠান হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ফজুমিয়ারহাট হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ফেনী সদর উপজেলার বিকন মডেল কলেজ। এসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফলও শূন্য। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. আহসান পারভেজ বলেন, শূন্য পাসের তালিকায় থাকা অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এসব প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও ছিল খুবই কম।

তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের কাছে শিগগিরই কারণ ব্যাখ্যা চেয়ে নোটিশ পাঠানো হবে। তাঁদের দেওয়া জবাব সন্তোষজনক না হলে পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ