ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক পদায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রাথমিকের বদলি স্থগিত আমি দেশে ফেরার জন্য নির্দেশনা দিয়ে কাউকে বিপদে ফেলতে চাই না ৩০ থেকে ৭০এর দশকেও সুস্থ রাখতে পারে এই অভ্যাস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ার ৮ বিমানবন্দর বন্ধ, আটকা ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫ লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন বাবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম ঠাকুরগাঁও সফর, আবেগঘন বার্তা দিলেন কন্যা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, ভিন্ন চিত্র পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য ১১টি করণীয় আমল সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির ওরিয়েন্টেশন ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক পদায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রাথমিকের বদলি স্থগিত

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নতুন করে নিয়োগ পাওয়া প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষককে পদায়ন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত
  • আপলোড সময় : ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৬:৫১ সময়
  • আপডেট সময় : ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ৬:৫১ সময়
সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক পদায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রাথমিকের বদলি স্থগিত
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নতুন করে নিয়োগ পাওয়া প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষককে পদায়ন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষক বদলি কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সিদ্ধান্তটি সোমবার থেকেই কার্যকর হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, নতুন শিক্ষকদের নিয়োগ ও পদায়ন শেষ হওয়ার পর আবারও বদলি কার্যক্রম চালু করা হবে। তবে ভবিষ্যতে কোন নীতিমালার আওতায় বদলি কার্যক্রম পরিচালিত হবে, তা তখনকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘নতুন শিক্ষকদের নিয়োগের পর আবার বদলি চালু হবে। তখন বর্তমান সিস্টেমটা, যে নীতিমালায় বদলিটা চলছিল সেটাতে হবে না অন্য কিছুতে হবে, সেটা তখনই বলা যাবে। যেহেতু তখন চেঞ্জ হতে পারে, তাহলে সেটা নিয়ে এখন আবার আলোচনার প্রয়োজন।’

এদিকে আগামী বছর দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালু করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। উপবৃত্তির বিষয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, উপবৃত্তিসহ প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন বিষয় সরকার গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। ভবিষ্যতে এটি আরও বেশি ‘নিড বেসড’ বা প্রয়োজনভিত্তিক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া মতামত অনুযায়ী, আর্থিক প্রয়োজনের ভিত্তিতে উপবৃত্তি প্রদান করা হলে তা আরও কার্যকর হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে উপবৃত্তির আওতাভুক্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও কার্যকর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানসম্মত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা শিশু-কিশোরদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও জোরদার করা হচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় শিক্ষা ও কর্মদক্ষতার সমন্বয়, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সমাজের পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়গুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে সর্বজনীন, অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং নিরক্ষরতা দূর করাকে রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সাংবিধানিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা, বয়স্ক শিক্ষা, জীবনদক্ষতা এবং কর্মমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য সুযোগ তৈরি করছে। তিনি জানান, গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে সাক্ষরতার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে ৭ বছর ও তার বেশি বয়সী জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার বর্তমানে ৭৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

এই অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক হলেও এখনো দেশের একটি বড় অংশ কাঙ্ক্ষিত শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ থেকে পিছিয়ে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা ও ঝরে পড়া শিশু-কিশোর, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষের কাছে শিক্ষার সুযোগ পৌঁছে দেওয়াকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকারের শিক্ষা-দর্শনের মূল লক্ষ্য হলো মানুষের সক্ষমতা বাড়ানো এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা। একটি দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য শুধু অবকাঠামো নির্মাণ যথেষ্ট নয়; জ্ঞান, দক্ষতা, সৃজনশীলতা, নৈতিকতা ও কর্মক্ষমতায় সমৃদ্ধ নাগরিক গড়ে তোলাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?

রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?