দেশে নতুন কোনো শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, ২০১০ সালের শিক্ষানীতি অনুসরণ করেই প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জন্য পৃথক নীতিমালা তৈরিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বুধবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শহীদ সাটু হলে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ফিডিং কর্মসূচির ওরিয়েন্টেশন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, শিক্ষকদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পৃথক শিক্ষক নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কাজের যথাযথ তদারকি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেও নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে। প্রাথমিক শিক্ষার পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন আনার বিষয়েও কথা বলেন তিনি। বাংলা ও গণিতের মতো ভিত্তিমূলক বিষয়গুলোতে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নাগরিক সচেতনতা বাড়াতে পাঠ্যক্রমে নাগরিক শিক্ষা ও সক্রিয় শিক্ষার বিষয় যুক্ত করা হচ্ছে।
চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমও পাঠ্যক্রমের অংশ করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। স্কুল ফিডিং কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিটি শিশুকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিগগিরই মধ্যাহ্নভোজ বা স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হবে।
আগের কর্মসূচির ভুলত্রুটি চিহ্নিত করে সেগুলো সংশোধনের মাধ্যমে নতুন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোহাম্মদ মুসার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলাম বুলবুল ও জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুন অর রশিদ। এ সময় প্রাথমিক শিক্ষা খাতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষক ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন