ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সাড়ে পাঁচ মাস চিকিৎসা–পুনর্বাসনের পর দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস মার্কিন ডলার বর্জনের ডাক ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ: মীর শাহে আলম মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে চায় ইরান ট্রাম্পের উদ্দেশে ইরানি প্রেসিডেন্টের নতুন বার্তা সরকার প্রতিটি গুমের ঘটনা তদন্ত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে: প্রধানমন্ত্রী মিরাজ শেখের নিখোঁজকে ঘিরে ‘গুমের কাহিনী’ সাজানোর চেষ্টা হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুমের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত মাস্টারমাইন্ডদের বিচার করতে হবে মজলুমদের হাত দিয়ে যে আইন হচ্ছে, তা গুমের পথ সুগম করবে: এমপি আরমান আইনের বইয়ের পাশাপাশি মামলার খুঁটিনাটিও জানতে হবে: চিফ প্রসিকিউটর

রংপুরে শিক্ষকসহ চারজন হত্যা: মুচলেকা নিয়ে সিদ্ধার্থের বাবা-ভাইকে ছাড়ল ডিবি

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বাবা
  • আপলোড সময় : ৩০ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৪৬ সময়
  • আপডেট সময় : ৩০ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৪৬ সময়
রংপুরে শিক্ষকসহ চারজন হত্যা: মুচলেকা নিয়ে সিদ্ধার্থের বাবা-ভাইকে ছাড়ল ডিবি

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও বড় ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। শনিবার বিকেলে সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডের গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে প্রায় ছয় ঘণ্টা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তারা কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যান।


রংপুর মহানগর পুলিশের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে এসেছিল। পরে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগে ২২ আগস্ট রাতে মাছুয়াপাড়ার একটি বাসা থেকে গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা, মেয়ে আগামী এবং ছেলে প্রীয়মের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত গণপতির বয়স ৬০ বছর, তার স্ত্রী ৫০ বছর, মেয়ে ২৫ বছর এবং ছেলে ১২ বছর বয়সী ছিল।


চারজনকে হত্যার ঘটনায় পরদিন নিহতের বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলা হওয়ার দিন ভোরেই একই এলাকা থেকে মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস নামে দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাদের আদালতে হাজির করা হলে পুলিশ জানায়, তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।


এরপর সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের বন্ধু সীমান্ত আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন। পুলিশের দাবি, ঘটনার রাতে তিনজন একসঙ্গে ইয়াবা সেবন করেছিলেন। এদিকে হত্যাকাণ্ডের পর আলামত নষ্টের অভিযোগও সামনে এসেছে। সিদ্ধার্থের বড় ভাই পার্থ দাস অভিযোগ করেন, হত্যার পর গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলা হয়েছে।


তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, আলামত নষ্ট করার উদ্দেশ্যে ছাদ ধোয়া হয়নি। ভুল করে মোটরের সুইচ চালু হয়ে যাওয়ায় পানির ট্যাংক থেকে পানি উপচে ছাদ ভিজে যায়। চারজনকে হত্যার ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ, সাক্ষ্য ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে আরও তথ্য জানার চেষ্টা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ