ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন বাবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম ঠাকুরগাঁও সফর, আবেগঘন বার্তা দিলেন কন্যা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, ভিন্ন চিত্র পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য ১১টি করণীয় আমল সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির ওরিয়েন্টেশন ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কলম্বিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে বিদ্রোহীদের ড্রোন হামলা, নিহত ৩ '৪৩৪১ হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দেবে সরকার' ভারতের কাছে হেরে বিব্রতকর রেকর্ড গড়ল পাকিস্তান যে নিজের পরিচয় গোপন করে অপকর্ম করে, সেই বড় গুপ্ত: জামায়াত আমির হুংকার দেবেন না, বিএনপি রাজপথ থেকে উঠে আসা দল: পানিসম্পদমন্ত্রী

ইউক্রেনে প্রতি মাসে ৬ হাজার সেনা হারাচ্ছে রাশিয়া

ইউক্রেন যুদ্ধে বড় ধরনের সেনা ক্ষতির মুখে পড়েছে রাশিয়া। পশ্চিমা কর্মকর্তাদের দাবি, দেশটি প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৩৬
  • আপলোড সময় : ২৯ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৩৭ সময়
  • আপডেট সময় : ২৯ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৩৭ সময়
ইউক্রেনে প্রতি মাসে ৬ হাজার সেনা হারাচ্ছে রাশিয়া

ইউক্রেন যুদ্ধে বড় ধরনের সেনা ক্ষতির মুখে পড়েছে রাশিয়া। পশ্চিমা কর্মকর্তাদের দাবি, দেশটি প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৩৬ হাজার সেনা হারালেও নতুন করে নিয়োগ দিতে পারছে প্রায় ৩০ থেকে ৩১ হাজার। ফলে প্রতি মাসে প্রায় ৬ হাজার সেনার ঘাটতি থেকে যাচ্ছে রুশ বাহিনীতে। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে পশ্চিমা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।


এক পশ্চিমা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রুশ বাহিনীতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় এক হাজার নতুন সেনা যোগ দিচ্ছেন। অর্থাৎ মাসে প্রায় ৩০ থেকে ৩১ হাজার সেনা নিয়োগ পাচ্ছেন। অন্যদিকে ইউক্রেনের বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতি মাসে প্রায় ৩৬ হাজার রুশ সেনা হতাহত হচ্ছেন বলে তাদের হিসাব। ওই কর্মকর্তার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সেনা ঘাটতি চলতে থাকায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও ক্রমেই অস্থির হয়ে উঠছেন। তাঁর অভিযোগ, যুদ্ধক্ষেত্রে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি পূরণে নতুন সেনা সংগ্রহের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ায় রাশিয়া ইউক্রেনের বেসামরিক অবকাঠামো ও নাগরিকদের ওপর হামলা বাড়িয়েছে।


পশ্চিমা কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ের শুরু থেকে ইউক্রেনে ৩৬০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে রাশিয়া। বিশেষ করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে কিয়েভের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে মস্কো। তাদের আশঙ্কা, আসন্ন শীতকে সামনে রেখে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে বড় ধরনের হামলা চালিয়ে দেশটির মানুষের মনোবল দুর্বল করার চেষ্টা করতে পারে রাশিয়া।


তবে রাশিয়ার জন্য নতুন করে ব্যাপক সেনা সমাবেশ করাও সহজ নয় বলে মনে করছেন পশ্চিমা কর্মকর্তারা। কারণ, এতে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে বড় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাদের দাবি, ২০২২ সালের শরতে রাশিয়ায় সর্বশেষ বড় ধরনের সেনা সমাবেশের পর প্রায় ১০ লাখ নাগরিক দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন দক্ষ কর্মী। পরে কেউ কেউ দেশে ফিরলেও, ফিরে আসা মানুষের সংখ্যা দেশত্যাগীদের অর্ধেকেরও কম ছিল বলে পশ্চিমা কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন।


এদিকে ইউক্রেনও রাশিয়ার তেল ও জ্বালানি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি আক্রমণাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পেতে মিত্র দেশগুলোর কাছে সহযোগিতা চেয়ে আসছে কিয়েভ। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্য ইউক্রেনকে দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম চলতি সপ্তাহে কিয়েভ গিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন।


অন্যদিকে ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাজ্যের সামরিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলার হুমকি দিয়ে আসছে মস্কো। তবে পশ্চিমা কর্মকর্তাদের মতে, রাশিয়ার এসব হুমকি বাস্তব হলেও রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন ন্যাটোর সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়াতে চান না। ২০২২ সালে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। ক্রিমিয়াকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া, মিনস্ক চুক্তির বিরোধ এবং ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপদের প্রচেষ্টাকে ঘিরে

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?

রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?