ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
ডিজে পার্টি ও মাদক উদ্ধারের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহির কর্মস্থলে অনুপস্থিতির অভিযোগে সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন-অর রশীদকে চাকরিচ্যুত কুমিল্লা বোর্ডে ১৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেননি কোনো শিক্ষার্থী তাহসিফের মৃত্যুর আগে বান্ধবী ও দীপকে নিয়ে বারে দেড় ঘণ্টা অবস্থান শেরপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে ঘিরে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত বেশ কয়েকজন ‘এবারের এইচএসসির ফলাফলই আসলে প্রকৃত চিত্র, বিএনপি সরকারকে সাধুবাদ জানাই’ আন্দোলন করে সরকার গঠন করা যায় না: চিফ হুইপ বরিশাল বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার নেমেছে ৪৪.৮৪ শতাংশে শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান একীভূত করার ভাবনা, শিক্ষকদের চাকরি যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী কারিগরিতে পাসের হার ৪৯.৪৩%, জিপিএ-৫ পাওয়া ৮৮৬ জনের মধ্যে ছাত্রী ৭০৬ জন

‘প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার ছেড়ে মোদির ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে যাওয়া উচিত’

ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এক বিরোধী নেতার মন্তব্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর সক্রিয়
  • আপলোড সময় : ৩০ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:৪৫ সময়
  • আপডেট সময় : ৩০ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:৪৫ সময়
‘প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার ছেড়ে মোদির ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে যাওয়া উচিত’

ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এক বিরোধী নেতার মন্তব্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতিকে ইঙ্গিত করে এক রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বরং একজন ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবেই তিনি বেশি সফল। বুধবার মহারাষ্ট্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ওই নেতা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরুণদের উদ্দেশে প্রকাশিত ভিডিওগুলো দেখে মনে হচ্ছে তিনি একজন ইনফ্লুয়েন্সারের ভূমিকায় বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। তাই তিনি যদি সেই ভূমিকাতেই বেশি দক্ষ হন, তাহলে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব অন্য কারও হাতে তুলে দেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন।


সম্প্রতি তরুণ প্রজন্মকে লক্ষ্য করে প্রধানমন্ত্রীর প্রকাশিত কয়েকটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করে। সেই ভিডিওগুলো নিয়েই বিরোধী রাজনৈতিক মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এর আগে দেশটির প্রধান বিরোধী দলের এক সংসদ সদস্যও একই প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, শুধু নতুন নতুন ক্যামেরার কোণ বা আকর্ষণীয় ভিডিও তৈরি করলেই তরুণ ভোটারদের মন জয় করা সম্ভব নয়। জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য নীতিগত পরিবর্তন ও মানুষের অনুভূতির প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজনীতিতে প্রচারণার নতুন ধারা তৈরি হলেও, তা এখন বিরোধী দলগুলোর সমালোচনার অন্যতম ইস্যুতেও পরিণত হয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ