ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
মেট্রোরেলে নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক ও কলসেবা চেয়ে আইনি নোটিশ ছাত্রদের দেশের জন্য কাজ করতে হবে, তবে লেখাপড়া ছেড়ে নয় সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পল্লী বিদ্যুতের গাড়ি, কর্মীর মৃত্যু প্রতিমন্ত্রীর গাড়ীর ধাক্কায় নিহত ফিরোজার পরিবারকে গাভী প্রদান বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে বিচারের মুখোমুখি করতে শৈথিল্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারি চাকরির ভাইভায় নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে ডাকসুর বিক্ষোভ ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে বোলারদের নৈপুণ্যে এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ‘জাতিসংঘের স্বার্থেই কাজ করব, বাইরের কারও নির্দেশনা নেব না’: শপথে ড. খলিলুর রহমান সৌদি আরবে হুতি বিদ্রোহীদের হামলার তীব্র নিন্দা জানাল বাংলাদেশ সিঙ্গাপুরে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের সম্পদ ক্রোক

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ তারেক রহমানের

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল এখনো ঘোষণা না হলেও রাজনৈতিক দলগুলো ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করেছে। এবারের নির্বাচন দলীয়
  • আপলোড সময় : ২৬ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১১:১৮ সময়
  • আপডেট সময় : ২৬ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১১:১৮ সময়
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ তারেক রহমানের

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল এখনো ঘোষণা না হলেও রাজনৈতিক দলগুলো ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করেছে। এবারের নির্বাচন দলীয় প্রতীক ছাড়া অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও স্থানীয় পর্যায়ে দল-সমর্থিত একক প্রার্থী নিশ্চিত করা এবং সাংগঠনিক ঐক্য বজায় রাখার কৌশল নিয়েই এগোচ্ছে দলগুলো। রাজধানীতে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলার নেতাদের সঙ্গে এক সাংগঠনিক বৈঠকে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেন। বৈঠকে জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তিকে প্রার্থী নির্বাচনের প্রধান মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনার ওপর জোর দেওয়া হয়।


বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব প্রথমে থানা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের দেওয়া হবে। সেখানে সমঝোতা না হলে বিষয়টি জেলা, পরে বিভাগীয় পর্যায়ে যাবে। প্রয়োজন হলে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এড়িয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে আপাতত সাংগঠনিক পুনর্গঠন ধীরগতিতে পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে নতুন পদ-পদবি নিয়ে কোনো বিরোধ সৃষ্টি না হয় এবং নির্বাচনী প্রস্তুতিতে নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে।


দলীয় প্রতীক না থাকলেও স্থানীয়ভাবে একটি গ্রহণযোগ্য একক প্রার্থীকে সমর্থনের কৌশল নেওয়া হয়েছে বলে বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতারা জানিয়েছেন। তাদের মতে, এতে ভোট বিভক্তির ঝুঁকি কমবে এবং নির্বাচনে ভালো ফল অর্জন সহজ হবে। দলীয় নেতারা আরও বলেন, নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে—এমন প্রত্যাশা নিয়েই মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন জেলার নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
এলএনজি টার্মিনাল-২ চুক্তি পুনর্বহালের দাবি সামিটের

এলএনজি টার্মিনাল-২ চুক্তি পুনর্বহালের দাবি সামিটের