ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
‘গরম গরম বিরোধিতা মানে কি গাড়ি পোড়ানো?’ কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও এআই গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় উদ্যোগে যুক্ত হলেন এনএমএসইউর বাংলাদেশি গবেষক মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ইরানের পাঁচ বিচারকের ওপর ইইউর নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রশ্নফাঁস নিয়ে গভীর রাতে ভিডিও, তরুণদের ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি বিশ্বকাপ ফাইনাল পুনরায় আয়োজনের দাবিতে পিটিশন, যা বললেন স্প্যানিশ তারকা স্পেনে ইতিহাসে প্রথমবার জরুরি অবস্থা, ইইউর সাহায্য চাইছে ফ্রান্স ১৮ জনের মধ্যে ১২ রাষ্ট্রপতিই মেয়াদ শেষ করতে পারেননি পাহাড়ধসে তাসের ঘরের মতো গুঁড়িয়ে গেল গাড়ি, প্রাণ গেল চালকসহ ১৩ জনের দেশের মাটি থেকেই বিদায় নেবেন মেসি, পরিকল্পনায় ‘বিশেষ’ ম্যাচ সিটি কলেজসহ তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ কোটি টাকা লুটপাট, ১১১ শিক্ষক অবৈধ

কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও এআই গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় উদ্যোগে যুক্ত হলেন এনএমএসইউর বাংলাদেশি গবেষক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও কোয়ান্টাম কম্পিউটিংকে একসঙ্গে কাজে লাগিয়ে পদার্থবিজ্ঞানের জটিল সমস্যার সমাধানে নতুন গবেষণা শুরু হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে। এই
  • আপলোড সময় : ২৫ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১২:৩৯ সময়
  • আপডেট সময় : ২৫ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১২:৩৯ সময়
কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও এআই গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় উদ্যোগে যুক্ত হলেন এনএমএসইউর বাংলাদেশি গবেষক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও কোয়ান্টাম কম্পিউটিংকে একসঙ্গে কাজে লাগিয়ে পদার্থবিজ্ঞানের জটিল সমস্যার সমাধানে নতুন গবেষণা শুরু হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে। এই গবেষণা প্রকল্পের নেতৃত্ব দিচ্ছেন নিউ মেক্সিকো স্টেট ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ড. রেজা সুফিয়ান। তাঁর নেতৃত্বাধীন গবেষণা দল যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি বিভাগের উচ্চাভিলাষী 'জেনেসিস মিশন'-এর প্রথম ধাপের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।


প্রায় ৮০ কোটি ডলারের এই কর্মসূচির লক্ষ্য হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সুপারকম্পিউটার এবং কোয়ান্টাম প্রযুক্তিকে সমন্বিত করে বৈজ্ঞানিক গবেষণার গতি বাড়ানো এবং আগামী এক দশকে যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা সক্ষমতা দ্বিগুণ করা। ড. রেজা সুফিয়ানের গবেষণার মূল লক্ষ্য হলো বর্তমান প্রজন্মের কোয়ান্টাম কম্পিউটারে গণনার ত্রুটি কমাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এবং ভবিষ্যতের আরও নির্ভুল কোয়ান্টাম কম্পিউটারের জন্য নতুন প্রযুক্তিগত ভিত্তি তৈরি করা।


এই প্রকল্পে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের দুটি শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবেন। গবেষণায় কণার আচরণ, বলক্ষেত্রের বৈশিষ্ট্য এবং দৃশ্যমান পদার্থের উৎপত্তি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হবে। ড. সুফিয়ান বলেন, বর্তমান কোয়ান্টাম কম্পিউটারগুলো পরিবেশগত প্রভাবের কারণে প্রায়ই ভুল গণনা করে। তাই শুধু ফলাফল বিশ্লেষণে নয়, বরং পুরো গণনা প্রক্রিয়ার নকশা, অপটিমাইজেশন এবং পরিচালনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার করা হবে, যাতে কোয়ান্টাম কম্পিউটার আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে।


নয় মাসব্যাপী এই গবেষণা তিনটি ধাপে পরিচালিত হবে। প্রথম ধাপে কোয়ান্টাম সার্কিটের নকশা তৈরি, দ্বিতীয় ধাপে বাস্তব কোয়ান্টাম প্রসেসরে পরীক্ষা এবং শেষ ধাপে ফলাফল যাচাই, দক্ষতা বৃদ্ধি ও গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশের কাজ সম্পন্ন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও গবেষকরা আধুনিক কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিংয়ে কাজ করার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সহযোগিতাও আরও জোরদার হবে।


যুক্তরাষ্ট্রের এই বৃহৎ কর্মসূচিতে শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় গবেষণাগার এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে কাজ করছে। তাদের লক্ষ্য বিজ্ঞান, জ্বালানি ও জাতীয় নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নতুন সমাধান তৈরি করা।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
গোল্ডেন বুট এমবাপ্পের, বল-গ্লাভ স্পেনের, ‘সিলভার বল’ যাচ্ছে মেসির ভাগে

গোল্ডেন বুট এমবাপ্পের, বল-গ্লাভ স্পেনের, ‘সিলভার বল’ যাচ্ছে মেসির ভাগে