ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
এইচএসসির ফল জানার পদ্ধতি পরিবর্তন, জেনে নিন নতুন নিয়ম ডিসেম্বরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ আসবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পে-স্কেলে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন তাহসিফের লাশের সঙ্গে পাওয়া গেল আইফোন, আরও যা মিলল আমারে একটা বিরাট বড় শয়তানে ধরেছে: তাশরীফের বাবা হঠাৎ ডজনখানেক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো উত্তর কোরিয়া মা কাজে যাচ্ছিলেন, পেছন পেছন গিয়ে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় প্রাণ গেল দুই মেয়ের শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোর দাবি নিয়ে পডকাস্টে যা বলেছিলেন তাহসিফ পেনাল্টি অনুশীলন ছাড়াই সিটির জয়, নায়ক গোলকিপার রুলি ‘ভিনি জুনিয়র প্রটোকল’ ভেঙে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ নেইমার

সিটি কলেজসহ তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ কোটি টাকা লুটপাট, ১১১ শিক্ষক অবৈধ

দেশের তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ কোটিরও বেশি টাকার আর্থিক অনিয়ম, অবৈধ নিয়োগ এবং বিভিন্ন বিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পেয়েছে শিক্ষা
  • আপলোড সময় : ২৫ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:৫০ সময়
  • আপডেট সময় : ২৫ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:৫০ সময়
সিটি কলেজসহ তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ কোটি টাকা লুটপাট, ১১১ শিক্ষক অবৈধ

দেশের তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ কোটিরও বেশি টাকার আর্থিক অনিয়ম, অবৈধ নিয়োগ এবং বিভিন্ন বিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। তদন্তে রাজধানীর মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজ, ঢাকা সিটি কলেজ এবং নরসিংদীর আছাদনগর ফাজিল মাদ্রাসায় ব্যাপক অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজে প্রায় ৫ কোটি ১০ লাখ ৭৮ হাজার টাকা, ঢাকা সিটি কলেজে ৪ কোটি টাকা এবং আছাদনগর ফাজিল মাদ্রাসায় ১ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক অনিয়ম হয়েছে। এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া এবং অনিয়মের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।


মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের তদন্তে অতিরিক্ত ভর্তি ফি আদায়, কর ফাঁকি, বিধিবহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত বেতন-ভাতা প্রদান এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় নানা অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে কলেজটির অধ্যক্ষের নিয়োগ প্রক্রিয়াকেও বিধিসম্মত নয় বলে উল্লেখ করেছে তদন্ত দল। ঢাকা সিটি কলেজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ পাওয়া ১৯৮ শিক্ষকের মধ্যে ১০৫ জনের নিয়োগে অনিয়ম হয়েছে। এছাড়া ব্যাংকে অর্থ জমা না দিয়ে নগদ ব্যয়, ভ্যাট ও কর পরিশোধে অনিয়ম এবং বিধিবহির্ভূতভাবে ভাতা গ্রহণের অভিযোগও প্রমাণিত হয়েছে।


অন্যদিকে আছাদনগর ফাজিল মাদ্রাসার তদন্তে জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ব্যবহার, নিয়োগ বিধি লঙ্ঘন, অবৈধভাবে সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণ, অতিরিক্ত ফি আদায় এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় একাধিক অনিয়মের তথ্য উঠে এসেছে। কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারীর কাছ থেকে সরকারি অর্থ ফেরত নেওয়ারও সুপারিশ করা হয়েছে। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, তদন্ত শেষে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। এখন বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এদিকে গত কয়েক মাসে রাজধানীসহ দেশের প্রায় ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তদন্ত চালিয়েছে ডিআইএ। এর মধ্যে প্রায় ১০টি প্রতিষ্ঠানের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মাদ্রাসা শিক্ষককে থাপ্পড় দেওয়া রুমিকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান

মাদ্রাসা শিক্ষককে থাপ্পড় দেওয়া রুমিকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান