ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
নাটোরে বিশ্বমানের পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে: পর্যটনমন্ত্রী ফাঁকা সড়কে দুই বাসই দ্রুতগতিতে চলছিল, চালকদের চোখে ছিল ঘুম: পুলিশ নাটোরে পর্যটনমন্ত্রীর পথসভা থেকে পিস্তলসহ যুবক আটক মিরপুরে প্রাইভেট কার থেকে বিএনপি নেতাকে গুলি, আহত নারীসহ ২ এক দল জুলাইয়ের কৃতিত্ব নিয়েই বেশি ব্যস্ত: তথ্যমন্ত্রী ২০ টাকার টিকিটে ৩০ লাখ টাকা পাচ্ছেন কৃষক হানিফ মিয়া হাসপাতালে মিঠুন চক্রবর্তী, দেখতে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী বিচার বিভাগের সবচেয়ে বড় সংকট মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন বিচারকের: আইনমন্ত্রী গ্রিস উপকূল থেকে দুই শতাধিক অভিবাসী উদ্ধার, অধিকাংশই বাংলাদেশি বোমা হামলার আশঙ্কায় দেশজুড়ে সতর্কতা, পুলিশ বলছে ‘গুজব’

রেললাইনে চুরি ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ

বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন রেলপথে যন্ত্রাংশ ও মূল্যবান সরঞ্জাম চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে
  • আপলোড সময় : ২৫ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:৪৬ সময়
  • আপডেট সময় : ২৫ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:৪৬ সময়
রেললাইনে চুরি ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ

বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন রেলপথে যন্ত্রাংশ ও মূল্যবান সরঞ্জাম চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে পদ্মা রেলপথ। ধারাবাহিক চুরির কারণে আধুনিক সিগন্যাল ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ছে, ট্রেন পরিচালনায় তৈরি হচ্ছে জটিলতা এবং বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।


রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা রেলপথ ছাড়াও ঢাকা–জয়দেবপুর এবং পদ্মা–ভাঙা সেকশনসহ বিভিন্ন স্টেশন এলাকায় নিয়মিত রেলওয়ের মালামাল চুরি হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো এবং নিরাপত্তা জোরদারে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চোরদের প্রধান লক্ষ্য রেললাইনের ক্লিপ, ফিশপ্লেট, নাট-বল্টু, সিগন্যাল কেবল, তামার তার, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, স্টেশনের দরজা-জানালা এবং ট্রেনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ। এসব সরঞ্জাম চুরি হওয়ায় রেলপথের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে।


প্রায় ২৩৬ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা রেলপথে ইতোমধ্যে প্রায় ৯৩ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ চুরির তথ্য পাওয়া গেছে। এসব ঘটনার কারণে কম্পিউটারভিত্তিক সিগন্যাল ব্যবস্থা অনেক স্থানে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হচ্ছে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। রেল কর্মকর্তারা জানান, যন্ত্রাংশ চুরির কারণে অনেক সময় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রেন পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না। কর্মীদের ট্রেন চলাচলের সময় রেললাইনের পাশে দাঁড়িয়ে বিশেষ পদ্ধতিতে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে, যা তাদের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ।


এদিকে পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত অনেক নতুন স্টেশনে পর্যাপ্ত জনবল নেই। বেশির ভাগ স্টেশনে অল্পসংখ্যক অস্থায়ী কর্মী ও প্রহরী দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে আধুনিক অবকাঠামো অরক্ষিত থাকায় চুরির ঘটনা বাড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন জানিয়েছেন, জনবল সংকটের কারণে সব এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও রেলপথের যন্ত্রাংশ সুরক্ষায় লোহার শক্ত খাঁচা স্থাপন, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
শেখ হাসিনার সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে থাকছেন সাকিব আল হাসান

শেখ হাসিনার সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে থাকছেন সাকিব আল হাসান