ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজে সমর্থন দেশের ৭৫.৩ শতাংশ মানুষের টানা বর্ষণে জনজীবন বিপর্যস্ত, পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলের মাঠ ও মাছের ঘের দেশের সব সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত অস্রুসিক্ত চোখে রেফারিকে ‘জালিম’ বললেন মিশরের ফুটবলার ২০৩০ পর্যন্ত আনচেলত্তিতেই আস্থা রাখছে ব্রাজিল বুকে ব্যথা ওঠে ধর্ষণের সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু পুত্রবধূকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সালিসে অপমান, শ্বশুরের আত্মহত্যা হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলা: ইরানি তেল বিক্রির লাইসেন্স বাতিল করলো যুক্তরাষ্ট্র চট্টগ্রাম বোর্ডের সব জেলায় বুধবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচে থাকছে বিশেষ বল

টানা বর্ষণে জনজীবন বিপর্যস্ত, পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলের মাঠ ও মাছের ঘের

মৌসুমি নিম্নচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে টানা চার দিনের ভারী বৃষ্টিতে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে
  • আপলোড সময় : ৮ জুলাই ২০২৬, দুপুর ২:৫৬ সময়
  • আপডেট সময় : ৮ জুলাই ২০২৬, দুপুর ২:৫৬ সময়
টানা বর্ষণে জনজীবন বিপর্যস্ত, পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলের মাঠ ও মাছের ঘের

মৌসুমি নিম্নচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে টানা চার দিনের ভারী বৃষ্টিতে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জলাবদ্ধতায় প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল, তলিয়ে গেছে আমনের বীজতলা, সবজি ক্ষেত এবং মাছের ঘের। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, কৃষক ও মৎস্যচাষিরা। জেলা আবহাওয়া কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় পটুয়াখালী জেলায় ৫৯ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। কয়েক দিনের টানা বর্ষণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে গেছে, ফলে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।


সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ ও দিনমজুররা। টানা বৃষ্টির কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যেও স্থবিরতা নেমে এসেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় মাছের ঘের ও পুকুর উপচে পড়ার আশঙ্কায় চাষিরা জাল বসিয়ে মাছ রক্ষার চেষ্টা করছেন। স্থানীয় মৎস্যচাষিদের আশঙ্কা, বৃষ্টি আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকলে ঘের থেকে মাছ বেরিয়ে গিয়ে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে। তবে উপজেলা মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ঘের ও পুকুরের চারপাশে উঁচু করে জাল বসানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


অন্যদিকে, অতিবৃষ্টিতে উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার আমনের বীজতলা ও মৌসুমি সবজির ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। কৃষকদের আশঙ্কা, দ্রুত পানি না নামলে বীজতলা পচে নষ্ট হয়ে আমন চাষে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত স্থায়ী ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া না গেলেও পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখা হচ্ছে। কৃষকদের জমি থেকে যত দ্রুত সম্ভব পানি নিষ্কাশনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


এদিকে জেলা আবহাওয়া কার্যালয় জানিয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী ১১ জুলাই পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে নিচু এলাকার মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বকাপে চমক দেখিয়ে ব্রাজিলে খেলার অফার পেলেন ভোজিনহা

বিশ্বকাপে চমক দেখিয়ে ব্রাজিলে খেলার অফার পেলেন ভোজিনহা