আগামী মাসের দ্বিতীয়ার্ধে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করে অক্টোবরের প্রথমার্ধে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন। এছাড়া নির্বাচন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর ১০ থেকে ১২ মাসের মধ্যে স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এ তথ্য জানান। এ সময় সরকারের সাম্প্রতিক বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরা হয়।
তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে একটি প্রাথমিক রোডম্যাপ তৈরি করেছে। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য পৃথক পরিকল্পনা প্রস্তুত করা হয়েছে। চলতি মাসের শেষদিকে এসব রোডম্যাপ চূড়ান্ত করে প্রকাশ করা হতে পারে। উপদেষ্টা আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য দেশকে চারটি ভৌগোলিক অঞ্চলে ভাগ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল, পার্বত্য ও উপকূলীয় এলাকা, নদীপ্রধান ও চরাঞ্চল এবং সমতল ও শহরাঞ্চল। প্রথম ধাপে হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা থাকলেও সরকার শুরু থেকেই জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আবহাওয়া ও বাস্তবতা বিবেচনায় শুষ্ক মৌসুমে অধিকাংশ নির্বাচন আয়োজনের দিকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া আগামী ৫ আগস্টের আগেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করা হবে বলেও জানান তিনি।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন