ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
হাসিনা আমলের ব্যাংক নিয়ন্ত্রণের সুযোগ আবার ফেরত আনছে বিএনপি: হাসনাত ১৭ বছরে অর্থনীতি ধ্বংস করে গেছে স্বৈরাচার, পুনরুদ্ধারে লড়ছে সরকার: শামা ওবায়েদ ২ কোটির বেশি প্রবীণকে এককালীন ৯০ ডলার দেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের তরুণদের স্বপ্ন ও সম্ভাবনার গল্প শোনাতে প্রথমা বুক ক্যাফেতে কথাসাহিত্যিক রাহিতুল ইসলাম শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই কর্মীর জুতায় মিলল ১৬ কোটি টাকার স্বর্ণ ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির রিমান্ডে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন আখতারুজ্জামান: পুলিশ কিংবদন্তি হওয়ার পথে এগিয়ে চলেছে ইয়ামাল: স্পেন কোচ সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের এপিএস রাশেদুলের সাতটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ সস্ত্রীক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ট্রাম্পের ছবি নিয়ে প্রেস উইংয়ের ব‍্যাখ‍্যা

বাপ-দাদা-নিজেরসহ ১৬টি নথি দিয়েও নাগরিকত্ব প্রমাণে ব্যর্থ আসামের আমিনুল

ভারতের আসামে এক ব্যক্তির নাগরিকত্ব নিয়ে দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন গুয়াহাটি উচ্চ আদালত। আদালতের মতে, একাধিক
  • আপলোড সময় : ৪ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:৪৭ সময়
  • আপডেট সময় : ৪ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:৪৭ সময়
বাপ-দাদা-নিজেরসহ ১৬টি নথি দিয়েও নাগরিকত্ব প্রমাণে ব্যর্থ আসামের আমিনুল

ভারতের আসামে এক ব্যক্তির নাগরিকত্ব নিয়ে দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন গুয়াহাটি উচ্চ আদালত। আদালতের মতে, একাধিক সরকারি ও ব্যক্তিগত নথি জমা দিলেও আবেদনকারী নিজেকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে প্রমাণ করার মতো যথেষ্ট ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। বিচারপতি কল্যাণ রায় সুরানা ও বিচারপতি শামীমা জাহানের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, আবেদনকারীর জমা দেওয়া ১৬টি নথির কোনোটিই আইনের নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী তার নাগরিকত্ব নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়নি।


মামলার সূত্রপাত হয় যখন ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালে তাকে বিদেশি হিসেবে ঘোষণা করে। পরে তিনি সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন। নিজের দাবির পক্ষে আবেদনকারী জাতীয় নাগরিক পঞ্জির পুরোনো নথি, বিভিন্ন সময়ের ভোটার তালিকা, জমির কাগজপত্র, কর শনাক্তকরণ কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সনদসহ নানা নথি আদালতে উপস্থাপন করেন। তার পরিবারের কয়েক প্রজন্ম ধরে আসামে বসবাসের দাবিও করা হয়।


শুনানির সময় আবেদনকারীর বাবা আদালতে উপস্থিত হয়ে তাকে নিজের সন্তান হিসেবে পরিচয় দিলেও আদালত জানিয়ে দেয়, শুধুমাত্র মৌখিক সাক্ষ্য নাগরিকত্ব বা পারিবারিক সম্পর্ক প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়। এ ধরনের দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য নথিগত প্রমাণ থাকতে হবে। আদালত আরও উল্লেখ করেন, পরিবারের সদস্যদের নাম, ঠিকানা ও ভোটার তালিকার তথ্যের মধ্যে ধারাবাহিকতা পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন গ্রামের ঠিকানা ব্যবহার এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণের ঘাটতি আবেদনকারীর দাবিকে দুর্বল করেছে।


এছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একটি সনদও আদালত গ্রহণ করেননি। কারণ সনদ প্রদানকারী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আদালতে উপস্থিত হয়ে এর সত্যতা নিশ্চিত করেননি। রায়ে আদালত পুনরায় উল্লেখ করেন, কোনো ব্যক্তির নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি বিদেশি নন—এটি প্রমাণ করার সম্পূর্ণ দায়িত্ব তার নিজের ওপরই বর্তায়। আবেদনকারী সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে ব্যর্থ হওয়ায় ট্রাইব্যুনালের আগের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা

পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা