ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের: জ্বালানিমন্ত্রী মাদুরোর বিচার ২০২৭ সালের জুনে শুরু করার প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের সুদানের চার রাজ্যে নতুন করে কলেরার থাবা আজও দিল্লির যন্তর মন্তরে বাড়ছে ভিড় ,আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ছে বিদেশেও শাহ সিমেন্টের টাইটেল স্পন্সরশিপে আসছে আতিফ আসলামের মেইন স্টেজ শোশাহ সিমেন্টের টাইটেল স্পন্সরশিপে আসছে আতিফ আসলামের মেইন স্টেজ শো শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার টিটন হত্যা মামলার আসামি রনি গ্রেপ্তার ‘মা আমাকে বলেছেন- যদি আবার সুযোগ আসে, তাহলে ভয় পেয়ো না’ এআই-নির্ভর সম্পদ কেন্দ্রীকরণ নাকি নতুন মানবিক সভ্যতা, বিশ্বকে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে: প্রফেসর ইউনূস চীন সীমান্তে শান্তি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পূর্বশর্ত: ভারত তেহরানের বিলবোর্ডে কফিনে শোয়ানো ট্রাম্পের ছবি

এত প্রকল্প হয়, বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করার প্রকল্প হয় না: ফখরুল

রাজধানীর পরিবেশ দূষণ, নদীর অবক্ষয় এবং নগরজীবনের ক্রমাবনতিশীল পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন
  • আপলোড সময় : ৭ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৫১ সময়
  • আপডেট সময় : ৭ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৫১ সময়
এত প্রকল্প হয়, বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করার প্রকল্প হয় না: ফখরুল

রাজধানীর পরিবেশ দূষণ, নদীর অবক্ষয় এবং নগরজীবনের ক্রমাবনতিশীল পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী। তিনি বলেছেন, একসময় রাজধানীর নদীগুলো ছিল মানুষের বিনোদন ও স্বস্তির স্থান, কিন্তু এখন দূষণের কারণে সেসব নদীর কাছেও যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। রাজধানীতে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি বলেন, বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণ ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তার মতে, ঢাকার পরিবেশগত নানা সংকটের অন্যতম কারণ এসব নদীর দূষণ। নদীগুলোকে পুনরুদ্ধারে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।


মন্ত্রী বলেন, রাজধানীর বর্তমান অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে অনেক মানুষের মতো তার নিজেরও অন্য কোনো শহরে বসবাসের চিন্তা আসে। কারণ হিসেবে তিনি বায়ুদূষণ, পরিবেশগত অবনতি এবং নাগরিক সেবার দুর্বলতার কথা উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, নগরবাসী প্রতিনিয়ত দূষিত বাতাসের মধ্যে বসবাস করছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের সেবার মান নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর, দায়িত্বশীল ও জনমুখী করে গড়ে তুলতে হবে।


অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশেষজ্ঞরা নগর পরিকল্পনা, জনস্বাস্থ্য, পানি ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন। তারা বলেন, দ্রুত নগরায়ন, অপরিকল্পিত উন্নয়ন এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে রাজধানীর পরিবেশগত সংকট দিন দিন গভীর হচ্ছে। বক্তারা মনে করেন, বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে হলে বায়ুদূষণ ও নদীদূষণ নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। একই সঙ্গে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব নীতি গ্রহণ এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে আশা প্রকাশ করা হয়, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে রাজধানীকে আরও বাসযোগ্য ও স্বাস্থ্যকর নগরীতে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
শিক্ষাগুরুর বিভীষিকাকাল কাটবে কবে?

শিক্ষাগুরুর বিভীষিকাকাল কাটবে কবে?