ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে মোদির সঙ্গে ত্রিবেদীর ‘খুব ভালো’ ও ‘দীর্ঘ’ বৈঠক শিশির মনিরকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার চাইলেন রাশেদ খাঁন জঙ্গল সলিমপুরের পাশে পুলিশ একাডেমি ও কারাগার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিউমুরিং টার্মিনাল ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ রাজধানীতে, পুলিশের লাঠিপেটা পাকিস্তানি সেনারা সৌদি আরবে অবস্থান করছেন: পাকিস্তান সেনাবাহিনী গাঢ় নীল পোশাকে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন জয়া আহসান রোলারের চাপায় ৩ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি ভারতের সঙ্গে শত্রুতা আমাদের প্রত্যাশা নয়, প্রশ্ন হচ্ছে ‘স্বার্থ সুরক্ষা’: নাহিদ ইসলাম শেখ হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া জানালো ভারত পর্দার ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’ এবার বাস্তবেও মন্ত্রীর মর্যাদায়

বেঁচে আছে, তবু হত্যার অভিযোগে মামলা

ঢাকার আশুলিয়ায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় স্ত্রী তার স্বামীকে ‘হত্যা হয়েছে’ দাবি করে মামলা করলেও পরে স্বামী নিজেই থানায়
  • আপলোড সময় : ২৪ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪৭ সময়
  • আপডেট সময় : ২৪ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪৭ সময়
বেঁচে আছে, তবু হত্যার অভিযোগে মামলা

ঢাকার আশুলিয়ায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় স্ত্রী তার স্বামীকে ‘হত্যা হয়েছে’ দাবি করে মামলা করলেও পরে স্বামী নিজেই থানায় হাজির হয়ে জানান, তিনি জীবিত এবং মামলাটি করা হয়েছে তার অজান্তে। ঘটনার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৪ অক্টোবর কুলসুম বেগম (২১) নামের এক নারী তার স্বামী মো. আল আমিন মিয়া (৩৪)কে হত্যার অভিযোগ এনে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। পরে ৮ নভেম্বর আশুলিয়া থানায় মামলাটি এজাহারভুক্ত হয়, যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৩০ জনকে আসামি করা হয়।


এজাহারে বলা হয়, ৫ আগস্ট আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় বিজয় মিছিলে অংশ নেওয়ার সময় গুলিতে আল আমিন নিহত হন। পরে তিনি হাসপাতালের অজ্ঞাত লাশ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তার স্বামীর মৃত্যু শনাক্ত করেন বলে দাবি করেন। তবে পরবর্তীতে আল আমিন নিজেই থানায় উপস্থিত হয়ে জানান, তিনি জীবিত আছেন এবং মামলা করার সময় তিনি জুড়ি উপজেলায় ছিলেন। তার দাবি, ৫ আগস্ট তিনি আন্দোলনে অংশ নেননি এবং স্ত্রীও তখন তার সঙ্গে ছিলেন।


পরবর্তীতে আল আমিনের পক্ষ থেকে বিষয়টি পুলিশের নজরে আনা হলে তদন্ত শুরু হয়। আশুলিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি তদন্ত শেষে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন (ফাইনাল রিপোর্ট) দাখিল করা হয়েছে। এদিকে ঘটনাটি নিয়ে আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, এমন ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর মামলা বিচার ব্যবস্থাকে জটিল করে তোলে এবং প্রকৃত ঘটনার বিচারপ্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।


এ ধরনের আরও কিছু মামলার প্রসঙ্গ টেনে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন-সংক্রান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া কিছু মামলায় তথ্য যাচাই-বাছাই আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ