ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
‘কোনো কিছুই অসম্ভব নয়’—আর্জেন্টিনার ম্যাচের আগে কেপ ভার্দে কোচ সংসদকে পাশ কাটিয়ে নয়, সমতার ভিত্তিতে হোক সব চুক্তি: ডা. শফিকুর রহমান নিজের ছবিযুক্ত নতুন পাসপোর্ট উন্মোচন করলেন ট্রাম্প সমীকরণ মিললে ফাইনালের আগেই মুখোমুখি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার জরুরি সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক ভারতের মেডিকেল কলেজে ক্লাস নিচ্ছেন আওয়ামী লীগের পলাতক সাবেক এমপি মরদেহ স্থানান্তরে বাধা নেই, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের পাশে আহমদ ছফার নতুন কবর দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি: মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে সংসদে প্রধানমন্ত্রী দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের ক্রিকেটে আর্থিক সহায়তা বন্ধ করতে আইসিসিকে বুলবুলের চিঠি

বড় হচ্ছে কোরবানির বাজার

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাজধানীর গাবতলীসহ দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। কয়েক দিনের
  • আপলোড সময় : ১৩ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪৪ সময়
  • আপডেট সময় : ১৩ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪৪ সময়
বড় হচ্ছে কোরবানির বাজার

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাজধানীর গাবতলীসহ দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। কয়েক দিনের মধ্যেই এসব হাটে জমে উঠবে কোরবানির পশু কেনাবেচা। খামারিরা যেমন পশু নিয়ে হাটে উঠতে ব্যস্ত, তেমনি চলছে পশুর শেষ পর্যায়ের পরিচর্যাও। সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে কোরবানির পশুর বাজার বছর বছর বড় হচ্ছে এবং এটি এখন একটি বিশাল মৌসুমি অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। গত এক দশকে কোরবানির পশুর সংখ্যা প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে যেখানে প্রায় ৮৫ থেকে ৮৮ লাখ পশু কোরবানি হয়েছিল, সেখানে ২০২৪ সালে তা বেড়ে প্রায় ১ কোটি ৪ লাখে পৌঁছায়।


তবে করোনা মহামারির সময় এবং পরবর্তী কয়েক বছরে কিছুটা ওঠানামা দেখা যায়। ২০২০ সালে কোরবানির সংখ্যা কমে দাঁড়ায় প্রায় ৯৪ লাখ ৫০ হাজারে। আবার ২০২৩ সালে তা প্রায় ১ কোটিতে পৌঁছে যায় এবং ২০২৪ সালে আরও বৃদ্ধি পায়। চলতি বছর সরকারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রায় ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার পশুর সরবরাহ পাওয়া যাবে, যেখানে চাহিদা রয়েছে প্রায় ১ কোটি ১ লাখের কিছু বেশি। প্রাণিসম্পদ খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে এখন দেশীয় খামারভিত্তিক উৎপাদনই বাজারের প্রধান জোগান দিচ্ছে। আগে যেখানে আমদানিনির্ভরতা বেশি ছিল, এখন ছোট ও মাঝারি খামারের সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন অনেক বেড়েছে।


অর্থনীতিবিদদের মতে, কোরবানির পশুর বাজার এখন শুধু ধর্মীয় আয়োজন নয়, বরং পশুখাদ্য, পরিবহন, হাট ইজারা, শ্রমবাজার, মোবাইল ফাইন্যান্স ও চামড়া শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে বড় অর্থনৈতিক প্রভাব ফেলছে। তবে খামারিরা বলছেন, পশুখাদ্য, পরিবহন ও শ্রমিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয়ও অনেক বেড়েছে। ফলে বাজারে দাম কমার সম্ভাবনা কম। অনেক ক্রেতা এখন বড় পশুর পরিবর্তে তুলনামূলক সাশ্রয়ী পশুর দিকে ঝুঁকছেন।


অর্থনীতিবিদরা বলছেন, দেশীয় খামার উন্নয়ন এবং আমদানি নির্ভরতা কমে যাওয়ার কারণে এই খাত দ্রুত বিকাশ লাভ করছে। তবে বাজার স্থিতিশীল রাখতে উন্নত ব্যবস্থাপনা ও ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় পতন

বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় পতন