ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই বাকি পুলিশের গাড়ির সামনে রাড্ডার সরঞ্জাম লুটপাট হয়েছে: ফুয়াদ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান পুনর্ব্যক্ত আইরিন খানের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০০ পদে চাকরি, আবেদন ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত শত কোটি টাকা নিয়ে উধাও সমিতি, লাঠি হাতে উপজেলা পরিষদে বিক্ষুব্ধ গ্রাহক মাদক ধ্বংসের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্য ১৭৯০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার না খেলেই এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে ভারত-পাকিস্তান সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে বাংলাদেশের টিকা থাকার লড়াই দেখবেন যেভাবে এবার ১০০ শিক্ষককে দেওয়া হবে জাতীয় গুণী শিক্ষক সম্মাননা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়িত্বে রেখে আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়: নাহিদ ইসলাম

কাজুবাদামের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না বান্দরবানের কৃষক, সক্রিয় আড়তদার-ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট

বান্দরবানের রুমা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলতি মৌসুমে ব্যাপকভাবে কাজুবাদাম উৎপাদন হলেও ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা। অভিযোগ
  • আপলোড সময় : ১২ মে ২০২৬, দুপুর ১০:০ সময়
  • আপডেট সময় : ১২ মে ২০২৬, দুপুর ১০:০ সময়
কাজুবাদামের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না বান্দরবানের কৃষক, সক্রিয় আড়তদার-ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট

বান্দরবানের রুমা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলতি মৌসুমে ব্যাপকভাবে কাজুবাদাম উৎপাদন হলেও ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা। অভিযোগ উঠেছে, একটি প্রভাবশালী ব্যবসায়ী চক্র বা সিন্ডিকেট বাজার নিয়ন্ত্রণ করে কম দামে কৃষকদের কাছ থেকে ফসল কিনে নিচ্ছে। স্থানীয় কৃষকদের দাবি, মৌসুমের শুরুতেই কিছু আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগী একত্র হয়ে ইচ্ছেমতো দাম নির্ধারণ করছে। ফলে বাজারে চাহিদা ও দাম তুলনামূলক বেশি থাকলেও কৃষকদের কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হতে হচ্ছে।


একজন কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সারা বছর পরিশ্রম করে কাজুবাদাম উৎপাদন করলেও মৌসুম এলেই সিন্ডিকেট দামে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। গত বছর যেখানে প্রতি মণ কাজুবাদাম ৭ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছিল, এবার তা নেমে এসেছে ৪ হাজার ৮০০ থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে। তিনি আরও বলেন, উৎপাদন খরচ বাড়লেও বিক্রিমূল্য কমে যাওয়ায় অনেক কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।


এদিকে সচেতন মহল বলছে, পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষিপণ্যের বাজারে কার্যকর নজরদারি না থাকায় প্রতি বছরই কৃষকেরা মধ্যস্বত্বভোগীদের শোষণের শিকার হচ্ছেন। তারা সরকারি পর্যায়ে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ক্রয় ব্যবস্থা চালু এবং বাজার মনিটরিং জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।


রুমা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরিদুল আলম বলেন, পাহাড়ি এলাকায় পানির সংকটসহ নানা কারণে কাজুবাদামের ফলন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কৃষকদের সহায়তায় নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি শেখানো হচ্ছে। তবে বাজারে সিন্ডিকেটের বিষয়ে তার কাছে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই বলে তিনি জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
গঙ্গার পানিবণ্টনে নতুন চুক্তি চায় বাংলাদেশ: পানিসম্পদমন্ত্রী

গঙ্গার পানিবণ্টনে নতুন চুক্তি চায় বাংলাদেশ: পানিসম্পদমন্ত্রী