ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে পারেন রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া কী হবে? বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুন, সরকার পাশে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ‘ইলেকশন করে গদি মোটা হয়ে গেছে, জনগণকে আর গোনার টাইম নাই’ আল আকসা মসজিদে ঢুকে পড়েছে শত শত ইসরায়েলি ব্রাজিলিয়ানকে দলে নিয়ে তদন্তের মুখে মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামি ইরানে শক্তিশালী বি-১ বোমারু বিমান ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র ‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য যেন রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে আড়াল না হয়ে যায়’ এক এআই মডেলের হ্যাকিংয়ের শিকার অন্য মডেল

ট্রাম্পের শুল্ক ফেরত প্রক্রিয়া শুরু, ভোক্তারা পাচ্ছেন না সরাসরি সুবিধা

মার্কিন আদালতের রায়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত বিতর্কিত আমদানি শুল্ক অবৈধ ঘোষণার পর ওই শুল্ক থেকে
  • আপলোড সময় : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, দুপুর ১০:২ সময়
  • আপডেট সময় : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, দুপুর ১০:২ সময়
ট্রাম্পের শুল্ক ফেরত প্রক্রিয়া শুরু, ভোক্তারা পাচ্ছেন না সরাসরি সুবিধা

মার্কিন আদালতের রায়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত বিতর্কিত আমদানি শুল্ক অবৈধ ঘোষণার পর ওই শুল্ক থেকে আদায় করা বিপুল অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে এই সুবিধা মূলত আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকায় সাধারণ ভোক্তারা সরাসরি কোনো লাভ পাবেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে। জানা গেছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত বৈশ্বিক শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করে। এর আগে সরকার প্রায় ১৬০ বিলিয়ন ডলার শুল্ক হিসেবে আদায় করেছিল। পরবর্তীতে মার্চে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আদালত সেই অর্থ সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকদের ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয়।


আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার প্রতিষ্ঠান এই রিফান্ড পাওয়ার যোগ্য হয়েছে। ইতোমধ্যে হাজার হাজার প্রতিষ্ঠান অনলাইনে আবেদন করেছে এবং দাবিকৃত অর্থের পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি ডলারে পৌঁছেছে। আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য একটি বিশেষ অনলাইন পোর্টাল চালু করা হয়েছে, যেখানে সফল আবেদনকারীরা ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে সুদসহ অর্থ ফেরত পেতে পারেন। তবে পুরো প্রক্রিয়ায় ছোট ব্যবসায়ীরা কিছু সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে অনেক ক্ষুদ্র আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারছে না। অন্যদিকে বড় কোম্পানিগুলো এই অর্থ ভবিষ্যতে শুল্কজনিত ঝুঁকি মোকাবিলার প্রস্তুতি হিসেবে ব্যবহার করছে।


এদিকে শুল্কের কারণে বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন সাধারণ ভোক্তারা। কিন্তু তাদের জন্য কোনো সরাসরি ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা রাখা হয়নি। ফলে কিছু ভোক্তা সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছেন, যাতে রিফান্ডের অংশ গ্রাহকদের ফেরত দেওয়া হয়। কিছু বড় প্রতিষ্ঠান পণ্যের দাম কমানো বা বিশেষ ছাড় দেওয়ার চিন্তা করলেও অধিকাংশ রিফান্ড অর্থ ব্যবসায়িক খাতেই থেকে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে বিশাল এই অর্থ ফেরত কর্মসূচি কার্যকর হলেও সাধারণ মানুষের ওপর এর প্রভাব সীমিত থাকতে পারে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
জটিলতায় পড়তে পারেন যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা?

জটিলতায় পড়তে পারেন যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা?