ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
মাছ খেলে আপনাদের বাংলাদেশি বলা হবে; হুঁশিয়ারি মমতার লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় দুই শিশুসহ নিহত ৫ ইউপি সদস্যের বাড়ি থেকে ৫ ব্যারেল ডিজেল উদ্ধার, ১৫ দিনের কারাদণ্ড দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে বন্ধ দোকানে মিলল ব্যবসায়ীরা মরদেহ আওয়ামী লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী মোজোর ২০তম জন্মদিন উদযাপন মার্কিন যুদ্ধবিমানের নতুন আতঙ্ক, চীনের তৈরি ইরানের অত্যাধুনিক ম্যানপ্যাড অবশেষে আইপিএলে ফিরছেন কামিন্স ৫ লাখ শূন্যপদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী নিম্ন আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৪০ লাখের বেশি: আইনমন্ত্রী

পর্দার আড়ালে থাকা ইরানের দুর্ধর্ষ বিশেষ বাহিনী সাবেরিন ও নোহেদ

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণে কুদস ফোর্স-কে ইরানের সবচেয়ে পরিচিত বাহিনী হিসেবে দেখা হলেও বাস্তবে দেশটির সামরিক শক্তি আরও বিস্তৃত ও
  • আপলোড সময় : ৫ এপ্রিল ২০২৬, দুপুর ৩:২৪ সময়
  • আপডেট সময় : ৫ এপ্রিল ২০২৬, দুপুর ৩:২৪ সময়
পর্দার আড়ালে থাকা ইরানের দুর্ধর্ষ বিশেষ বাহিনী সাবেরিন ও নোহেদ

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণে কুদস ফোর্স-কে ইরানের সবচেয়ে পরিচিত বাহিনী হিসেবে দেখা হলেও বাস্তবে দেশটির সামরিক শক্তি আরও বিস্তৃত ও স্তরভিত্তিক কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে। বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত প্রতিক্রিয়া বা সীমিত সামরিক অভিযানে ইরান নির্ভর করে বিকেন্দ্রীকৃত একাধিক বিশেষ ইউনিটের ওপর। এসব ইউনিট একক কোনো বাহিনীর অধীনে না থেকে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে কাজ করে।


আইআরজিসি-এর স্থল বাহিনীর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান হলো ‘সাবেরিন’ ইউনিট। এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্রিগেড নয়, বরং বিভিন্ন আঞ্চলিক ইউনিটে ছড়িয়ে থাকা বিশেষ প্রশিক্ষিত সদস্যদের নেটওয়ার্ক, যারা দুর্গম এলাকায় অভিযান, দ্রুত অবতরণ এবং আকস্মিক হামলায় দক্ষ। অন্যদিকে নিয়মিত সেনাবাহিনী আর্তেশ-এর অধীনে রয়েছে ৬৫তম এয়ারবর্ন স্পেশাল ফোর্সেস ব্রিগেড, যা ‘নোহেদ’ নামে পরিচিত। গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং সরাসরি অভিযান পরিচালনায় এই ইউনিটকে গুরুত্বপূর্ণ ধরা হয়। সিরিয়ার সংঘাতে এদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য ছিল।


পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রভিত্তিক কৌশলগত কার্যক্রম পরিচালনা করে আইআরজিসি নৌবাহিনী-এর বিশেষ শাখা। জাহাজ আটক, জলসীমায় নিয়ন্ত্রণ এবং দ্বীপভিত্তিক অবস্থান শক্ত করার ক্ষেত্রে তারা সক্রিয় ভূমিকা রাখে। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ হিসেবে রয়েছে বাসিজ বাহিনী। যদিও মূলত অভ্যন্তরীণ দমনে তাদের ব্যবহার করা হয়, কিছু বিশেষ ইউনিট বিদেশি সংঘাতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের এই সামরিক কাঠামো কোনো একক এলিট ফোর্সের ওপর নির্ভরশীল নয়। বরং এটি বহুস্তরীয় সমন্বিত ব্যবস্থা, যেখানে স্থানীয় ইউনিট থেকে শুরু করে উচ্চ প্রশিক্ষিত বিশেষ বাহিনী পর্যন্ত ধাপে ধাপে প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পার্বত্যাঞ্চলে উৎসবের আমেজ, বিজুতে ঐতিহ্যবাহী ‘পাজন’

পার্বত্যাঞ্চলে উৎসবের আমেজ, বিজুতে ঐতিহ্যবাহী ‘পাজন’