ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংঘাত নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিবেদনের বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, সামরিক শক্তির দিক থেকে এগিয়ে থাকলেও কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনে পশ্চিমা জোট প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। সাম্প্রতিক একাধিক থিংকট্যাংক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে, ইরান এখন অনেক ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষামূলক কৌশলে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দ্রুত কিছু সামরিক লক্ষ্য অর্জন করতে পারলেও দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক ও কৌশলগত উদ্দেশ্য পূরণে পিছিয়ে পড়েছে।
বিশ্লেষণে আরও বলা হয়, ইরান তাদের অপ্রতিসম যুদ্ধ কৌশল ব্যবহার করে সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করতে এবং নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ ও আঞ্চলিক প্রভাবের বিষয়টি এই সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। গবেষকদের মতে, যুদ্ধ যত দীর্ঘ হচ্ছে, ততই পরিস্থিতি একটি “থাকলে ক্ষয়, জিতলেও সীমিত লাভ” ধরনের অবস্থায় চলে যাচ্ছে। এতে কোনো পক্ষই পূর্ণ বিজয়ের দিকে এগোতে পারছে না, বরং কূটনৈতিক ও কৌশলগত চাপ বাড়ছে।
এদিকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থার নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, তারা সামরিক সাফল্যের পাশাপাশি রাজনৈতিক ফলাফল, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব—এই সব দিক মিলিয়ে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছে। সব মিলিয়ে বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বাস্তবতা হলো সরাসরি সামরিক জয় নয়, বরং কৌশলগত অবস্থান ধরে রাখাই প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন