ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
এলজিআরডি মন্ত্রী হলেন ড. আবদুল মঈন খান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সাচিং প্রু জেরী তথ্যমন্ত্রী হলেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন শামীম কায়সার লিংকন তথ্যমন্ত্রী থেকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হলেন জহির উদ্দিন স্বপন শামীম কায়সারকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করায় প্রতিবাদ ও উদ্বেগ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম ক্ষতিকর কনটেন্টের বিস্তার শিশু-কিশোরদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে: আইসিটি মন্ত্রী শনিবার যেসব এলাকায় ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না প্রয়োজন হলে আরও ১০০ বার ইরানে হামলা করতাম: ট্রাম্প এখন আমি বলতে পারব, হলিউড স্টাইলে কাজ করেছি: জায়েদ খান

সরকারি চাকরিজীবীদের রুটিন হোম ওয়ার্কের পরিকল্পনা করছে সরকার

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সেই চাপ এখন বাংলাদেশেও পড়তে শুরু করেছে বলে
  • আপলোড সময় : ৩১ মার্চ ২০২৬, সকাল ৯:৪৮ সময়
  • আপডেট সময় : ৩১ মার্চ ২০২৬, সকাল ৯:৪৮ সময়
সরকারি চাকরিজীবীদের রুটিন হোম ওয়ার্কের পরিকল্পনা করছে সরকার

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সেই চাপ এখন বাংলাদেশেও পড়তে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল। বিশেষ করে তেলের সরবরাহ ও দামে অনিশ্চয়তার কারণে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে চাকরিজীবী পর্যন্ত অনেকেই ভোগান্তিতে পড়ছেন। এই পরিস্থিতিতে সরকার জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য নতুন কিছু পদক্ষেপ বিবেচনা করছে। এর মধ্যে সরকারি অফিসের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো বা আংশিকভাবে হোম অফিস চালুর বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে।


জানা গেছে, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও সরবরাহ অনিশ্চয়তার কারণে সরকার অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমাতে বিভিন্ন বিকল্প খতিয়ে দেখছে। এর অংশ হিসেবে অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন, বাসা থেকে কাজের ব্যবস্থা এবং বড় শহরগুলোতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস আংশিকভাবে চালুর বিষয়ও ভাবা হচ্ছে। সরকারি পর্যায়ে বলা হচ্ছে, জ্বালানি ব্যবহার কমানোর জন্য প্রতিটি দপ্তরকে নিজস্ব সাশ্রয়ী পরিকল্পনা তৈরি করতে বলা হয়েছে। এগুলো পর্যালোচনা করে সামগ্রিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ইতিমধ্যে কিছু নতুন নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অফিসে নির্দিষ্ট সময় উপস্থিত থাকা, অপ্রয়োজনীয় আলো ও বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহার কমানো এবং এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রির ওপরে রাখার মতো নিয়ম অন্তর্ভুক্ত আছে। অফিস শেষে সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় বলছে, আগের নির্দেশনা অনেক জায়গায় ঠিকভাবে মানা হচ্ছে না, তাই নতুন করে কঠোরভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, পরিস্থিতি সামাল দিতে হোম অফিসের মতো বিকল্প ব্যবস্থাও সাময়িকভাবে বিবেচনায় আছে। তবে সেটি ছুটি নয়, বরং কাজ চালিয়ে যাওয়ার ভিন্ন একটি পদ্ধতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।


সব মিলিয়ে সরকার এখন মূল লক্ষ্য হিসেবে দেখছে জ্বালানি খরচ কমানো এবং সরবরাহ চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা। আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকেই বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হরমুজকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করার ঘোষণা ট্রাম্পের, বাস্তবে কি সম্ভব?

হরমুজকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করার ঘোষণা ট্রাম্পের, বাস্তবে কি সম্ভব?