ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
এলজিআরডি মন্ত্রী হলেন ড. আবদুল মঈন খান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সাচিং প্রু জেরী তথ্যমন্ত্রী হলেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন শামীম কায়সার লিংকন তথ্যমন্ত্রী থেকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হলেন জহির উদ্দিন স্বপন শামীম কায়সারকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করায় প্রতিবাদ ও উদ্বেগ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম ক্ষতিকর কনটেন্টের বিস্তার শিশু-কিশোরদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে: আইসিটি মন্ত্রী শনিবার যেসব এলাকায় ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না প্রয়োজন হলে আরও ১০০ বার ইরানে হামলা করতাম: ট্রাম্প এখন আমি বলতে পারব, হলিউড স্টাইলে কাজ করেছি: জায়েদ খান

জীবিত থেকেও সরকারি খাতায় ‘মৃত’, তিন বছর ধরে বয়স্কভাতা পান না মমিনা বেগম

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তেঁতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা ৮৯ বছর বয়সী মমিনা বেগম জীবিত থাকলেও সরকারি নথিতে
  • আপলোড সময় : ১৫ মার্চ ২০২৬, দুপুর ২:২৪ সময়
  • আপডেট সময় : ১৫ মার্চ ২০২৬, দুপুর ২:২৪ সময়
জীবিত থেকেও সরকারি খাতায় ‘মৃত’, তিন বছর ধরে বয়স্কভাতা পান না মমিনা বেগম

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তেঁতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা ৮৯ বছর বয়সী মমিনা বেগম জীবিত থাকলেও সরকারি নথিতে তাকে মৃত দেখানো হয়েছে। এর ফলে গত তিন বছর ধরে তিনি বয়স্কভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন, যা তার জীবনে বড় ধরনের দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৯ আগস্ট উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর ভাতাভোগীদের যাচাই কার্যক্রম পরিচালনা করে। সে সময় মমিনা বেগম ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। যাচাইয়ের সময় তাকে বাড়িতে না পেয়ে তৎকালীন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর বাবলী আরা তাকে মৃত হিসেবে উল্লেখ করে পৌর মেয়রের কাছে সুপারিশ করেন। পরে পৌর প্রশাসনের মাধ্যমে সমাজসেবা দপ্তরে পাঠানো কাগজপত্রের ভিত্তিতে তাকে মৃত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং তার বয়স্কভাতা বন্ধ হয়ে যায়।


পরে বাড়ি ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে মমিনা বেগম উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করেন। সেখানে তাকে জানানো হয়, সরকারি নথিতে তিনি মৃত হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছেন। এরপর তিনি পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরীর কাছে জীবিত থাকার প্রত্যয়নপত্র জমা দেন। তবে এখনো তার বয়স্কভাতা পুনরায় চালু হয়নি। মমিনা বেগমের পুত্রবধূ আমিনা বেগম জানান, তারা খুবই দরিদ্র এবং মমিনা বেগম অসুস্থ। তিন বছর ধরে বয়স্কভাতা বন্ধ থাকায় পরিবারের পক্ষে তার খাবার ও চিকিৎসার খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ভাতা চালু হলে অন্তত ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ কিছুটা মেটানো সম্ভব হতো।


এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সানোয়ার হোসেন বলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের সার্ভারে মমিনা বেগমকে মৃত হিসেবে দেখানো হয়েছিল। তবে বিষয়টি সংশোধন করা হয়েছে এবং নতুন বরাদ্দ এলে তার বয়স্কভাতা পুনরায় চালু করা হবে। অন্যদিকে পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, তৎকালীন মহিলা কাউন্সিলর বাবলী আরার সুপারিশের ভিত্তিতেই তাকে মৃত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এর ফলেই ভাতা যাচাই তালিকায় তাকে মৃত দেখিয়ে তার বয়স্কভাতা বন্ধ হয়ে যায়।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হরমুজকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করার ঘোষণা ট্রাম্পের, বাস্তবে কি সম্ভব?

হরমুজকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করার ঘোষণা ট্রাম্পের, বাস্তবে কি সম্ভব?