প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, "২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহিদ হয়েছেন। প্রতিটি নাম একটি পরিবার হারানোর, একটি সন্তানের পিতৃহীন হওয়ার বেদনাদায়ক গল্প।" তিনি শহিদ সেনা অফিসারদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং ইফতার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। শহিদদের মাগফিরাত কামনায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী মোনাজাতে অংশ নেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “২৫ ফেব্রুয়ারি জাতির ইতিহাসে এক রক্তাক্ত ও বেদনাবিধুর দিন, এই দিনটি এলে স্মৃতির ভারে প্রকৃতি যেন নীরব হয়ে যায়। এই ঘটনার বেদনা এখনো আমাদের হৃদয়ে বহমান।” তিনি আরও বলেন, “পিলখানার ঘটনার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা আমাদের জাতিগত দায়িত্ব। এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জাতির মূল্যবোধ ও সম্মান সংরক্ষিত থাকবে।”প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার পর সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল অবদান উল্লেখ করে বলেন, "সেনাবাহিনী আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। পিলখানার ঘটনা আমাদের নিরাপত্তা কাঠামোর দুর্বলতা প্রকাশ করেছে, তাই সরকার সেই কাঠামোকে আরো আধুনিক, সময়োপযোগী ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করবে।"
তিনি শহিদ পরিবারের সদস্যদের কল্যাণে তাদের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। শেষে, রমজান মাসে মহান আল্লাহর কাছে শহিদদের আত্মার শান্তি ও তাদের পরিবারকে শক্তি প্রদানের প্রার্থনা করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, এবং অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তারা সামরিক রীতিতে শহিদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে মোনাজাতে অংশ নেন।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন