ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
মাছ খেলে আপনাদের বাংলাদেশি বলা হবে; হুঁশিয়ারি মমতার লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় দুই শিশুসহ নিহত ৫ ইউপি সদস্যের বাড়ি থেকে ৫ ব্যারেল ডিজেল উদ্ধার, ১৫ দিনের কারাদণ্ড দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে বন্ধ দোকানে মিলল ব্যবসায়ীরা মরদেহ আওয়ামী লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী মোজোর ২০তম জন্মদিন উদযাপন মার্কিন যুদ্ধবিমানের নতুন আতঙ্ক, চীনের তৈরি ইরানের অত্যাধুনিক ম্যানপ্যাড অবশেষে আইপিএলে ফিরছেন কামিন্স ৫ লাখ শূন্যপদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী নিম্ন আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৪০ লাখের বেশি: আইনমন্ত্রী

খালেদা জিয়া জীবিত থাকলে আমাকে বহিষ্কার করা সম্ভব হতো না : রুমিন ফারহানা

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘আজকে বাংলাদেশে যে আরেকটা গণতান্ত্রিক পরিবর্তন হতে যাচ্ছে তার পেছনে জীবন দিয়ে ভূমিকা রেখেছেন
  • আপলোড সময় : ৭ জানুয়ারী ২০২৬, দুপুর ১২:০ সময়
  • আপডেট সময় : ৭ জানুয়ারী ২০২৬, দুপুর ১২:০ সময়
খালেদা জিয়া জীবিত থাকলে আমাকে বহিষ্কার করা সম্ভব হতো না : রুমিন ফারহানা ছবি : সংগৃহীত

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘আজকে বাংলাদেশে যে আরেকটা গণতান্ত্রিক পরিবর্তন হতে যাচ্ছে তার পেছনে জীবন দিয়ে ভূমিকা রেখেছেন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি আমাকে রাজনীতিতে এনেছেন। তিনি জীবিত থাকাকালে আমার বিরুদ্ধে কোনো বহিষ্কারের আদেশ আসেনি। এই আদেশ এসেছে তার মৃত্যুর পর।


আজকে যদি উনি জীবিত থাকতেন অনেক কিছুই হয়তো অন্যরকম হতো।’ সম্প্রতি একটি ইউটিউব চ্যানেলের টক শো প্রোগ্রামে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছর ধরে বিশেষ করে গত ১৫ বছরে টেলিভিশন টক শো, সংসদ ও নির্বাচনী এলাকায় ধারাবাহিকভাবে দল, দেশ ও মানুষের পক্ষে কথা বলে এসেছেন। তার ভাষায়, বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল; সেখানে নানা ধরনের হিসাব-নিকাশ থাকা স্বাভাবিক।


দীর্ঘদিন পর দেশে একটি নির্বাচন হতে যাচ্ছে এবং সে কারণে বিএনপি কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট ও আসন সমঝোতায় গেছে। বিএনপির হাতেও হয়তো খুব বেশি অপশন ছিল না।’  তিনি আরো বলেন, ‘আমি দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী ২০১৭ সাল থেকে সংশ্লিষ্ট আসনে কাজ করে আসছি। বিশেষ করে উকিল আব্দুল সাত্তার নৌকা মার্কায় চলে যাওয়ার পর দল থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছিল, ওই আসনটি আমাকে দেওয়া হবে এবং সেখানেই আমাকে কাজ করতে হবে।


নির্বাচন সামনে আসার পর হঠাৎ করেই দলীয় হাইকমান্ড থেকে জানানো হয়, অন্য একটি দলের সঙ্গে জোট করা হচ্ছে। তবে এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে আমাকে ব্যক্তিগতভাবে কিছু জানানো হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘দলের সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে, কিন্তু এলাকার মানুষের প্রতি আমার যে অঙ্গীকার, তা আমি উপেক্ষা করতে পারি না। সে কারণেই আমি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’ তিনি বলেন, ‘আমার এলাকার মানুষের স্পষ্ট দাবি ছিল, এবার যেন জোটের কোনো প্রার্থী না দেওয়া হয় এবং ধানের শীষের প্রার্থী আসে।


কারণ ২০০১ সালের পর থেকে এ আসনে ধানের শীষের কোনো প্রার্থী ছিল না। ২০১৮ সালে উকিল আব্দুল সাত্তার ধানের শীষে নির্বাচিত হলেও তিনি সংসদে মাত্র একদিন উপস্থিত ছিলেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান সময়ে মানুষকে আর অন্ধকারে রাখা সম্ভব নয়। কে মাঠে আছে, কে নেই, কে দুঃসময়ে ফোন ধরেন আর কে নিরাপদ দূরত্বে থাকেন, সবকিছুই এখন মানুষের চোখের সামনে। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দিনই তার দাফনের আগেই বিএনপির নয়জন নেতাকে বহিষ্কারের ঘটনা মানুষ ভালোভাবে নেয়নি।’


নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা জানান, এটি তিনি এককভাবে নেননি। তার এলাকার ১৯টি ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে, তাদের মতামত নিয়েই তিনি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। তিনি বলেন, ‘এলাকার মানুষের সঙ্গে তার যে প্রতিশ্রুতি ও দায়বদ্ধতা রয়েছে, সেটাই আমার কাছে মুখ্য।’ তিনি জানান, নির্বাচন করার আগে তিনি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, দলীয় ও বেসরকারি পেশাদার প্রতিষ্ঠানের করা ৮ থেকে ৯টি জরিপ প্রতিবেদন পর্যালোচনা করেছেন। এসব জরিপের ভিত্তিতেই তিনি ‘হাঁস’ মার্কায় নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।


বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত এলাকায় বড় কোনো বিশৃঙ্খলা চোখে পড়েনি। তবে ২২ তারিখ থেকে প্রচার-প্রচারণা শুরু হলে পরিস্থিতি আরো স্পষ্ট হবে।’ ২১ তারিখ প্রতীক বরাদ্দের পর প্রকৃত চিত্র বোঝা যাবে বলে তিনি মনে করেন।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পার্বত্যাঞ্চলে উৎসবের আমেজ, বিজুতে ঐতিহ্যবাহী ‘পাজন’

পার্বত্যাঞ্চলে উৎসবের আমেজ, বিজুতে ঐতিহ্যবাহী ‘পাজন’