জয়পুরহাট-১ (সদর-পাঁচবিবি) আসনে বিএনপির প্রার্থীর প্রাথমিক মনোনয়ন পরিবর্তন চেয়ে 'রিভিউ প্ল্যাকার্ড' ও ধানের শীষ হাতে নিয়ে বিশাল গণমিছিল করেছে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফয়সল আলিমের কর্মী ও সমর্থকরা।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিকেলে শহরের চিনিকল রোড থেকে মিছিলটি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। এসময় ‘পরিবর্তন চাই, জয়পুরহাট-১ আসন’ লেখা' রিভিউ প্ল্যাকার্ড' ও ধানের শীষ হাতে নিয়ে মনোনয়ন পরিবর্তন চেয়ে নানা স্লোগান দেয়া হয়।
এসময় বিক্ষোভকারীরা দাবি করে বলেন, এই আসনে জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মাসুদ রানা প্রধান মনোনয়ন পাওয়ায় জামায়াতের নেতারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। কারণ জামায়াত মনে করে বিএনপির এই প্রার্থী ভোটে জয়লাভ করতে পারবেন না। জামায়াত মনে করে বিএনপির এমন মনোনয়নের কারণে এ আসনে জামায়াত জয়লাভ করবে। এজন্য এই আসনে আমরা পরিবর্তন চাই এবং জনসমর্থন আছে এমন নেতাকে মনোনয়ন দেয়া হোক।
জানা গেছে, জয়পুরহাট-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন হাফ ডজনের বেশি প্রার্থী। এর মধ্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফয়সল আলিম ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মাসুদ রানা প্রধান মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন। এর মধ্যে মাসুদ রানা প্রধান দলীয় মনোনয়ন পান। এই মনোনয়ন বাতিল চেয়ে এই কর্মসুচি পালন করেন ফয়সল আলিমের হাজার হাজার সমর্থকরা।
এর আগে, গত ১৪ নভেম্বর মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে শোডাউন করা হয়। এছাড়া মনোনয়ন ঘোষণার কয়েকদিন পর পাঁচবিবিতে মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে মিছিল করেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল গফুর মন্ডল।
গণমিছিলে অংশ নেয়া বালিঘাটা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আবুল হোসেন বলেন, আমরা জয়পুরহাট-১ আসনের দলীয় প্রার্থী পরির্বতন চাই। দলীয় প্রার্থী পরিবর্তন না হলে আসনটি বিএনপির হাতছাড়া হয়ে যাবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির দলীয় প্রার্থী মাসুদ রানা প্রধান সাংবাদিকদের বলেন, প্রার্থী পরির্বতনের গণমিছিল সম্পর্কে কথা বলতে আমার রুচিতে বাঁধছে। তারপরও বলছি, যারা গণমিছিল করেছেন তারা বিএনপির কেউ নন। গণমিছিলের নেপথ্য যারা ছিলেন তারা অতীতেও জিয়া পরিবারের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। আবারও সেই চেষ্টা করছেন।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন