ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ হাসিনা-আজিজ-বেনজীরসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বিএনপিকে যারা ফ্যাসিবাদের দল বলে, তাদের জ্ঞানের অভাব রয়েছে: মির্জা ফখরুল বর্তমান সরকারের সময়ে সাংবাদিকরা চাপমুক্ত পরিবেশে কাজ করছেন গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তাল সাগর, ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা পথচারীদের ওপর উঠে গেল বেপরোয়া ট্রাক, নিহত ২ সিএনজি ফিলিং স্টেশন ৩০ জুলাই বন্ধের কর্মসূচি প্রত্যাহার কর্নেল (অব.) অলি অতীতে আসন ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপির সঙ্গে মতবিরোধে জড়িয়েছিলেন: রাশেদ খান রাশিয়ার মাউন্ট এলব্রাসে প্রবল ঝড়ে আটকে ৫ পর্বতারোহীর মৃত্যু দেশে যাত্রা শুরু করল বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী বাতির প্রতিষ্ঠান ‘হেইগা’ ট্রাম্পদের হেলিকপ্টারে মাঠের ক্ষতি, ক্যাম্প বাতিল ব্রাইটনের

মানিকগঞ্জে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে শিক্ষক ও কম্পিউটার অপারেটর বরখাস্ত

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ঝিট্কা আনন্দ মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের এক খন্ডকালীন শিক্ষক ও কম্পিউটার অপারেটরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
  • আপলোড সময় : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, দুপুর ৩:৩২ সময়
  • আপডেট সময় : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, দুপুর ৩:৩২ সময়
মানিকগঞ্জে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে শিক্ষক ও কম্পিউটার অপারেটর বরখাস্ত ছবি : সংগৃহীত

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ঝিট্কা আনন্দ মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের এক খন্ডকালীন শিক্ষক ও কম্পিউটার অপারেটরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ৭ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে তাদের বরখাস্ত করা হয়।


বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সরজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে জানা যায়, এ ঘটনা তদন্তে এক সদস্যের কমিটি গঠন করেছেন সভাপতি। সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুইজন হলেন, বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক মেহেদী হাসান ও খন্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর জহিরুল ইসলাম। এর আগে এসএসসি পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় মেহেদী হাসানের কক্ষে নকল পাওয়ায় তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।


বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ইংরেজি ১ম পত্রের পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষার আগে মেহেদী হাসান ও জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠে। বিদ্যালয়ের করা প্রশ্নের সাথে ফাঁসকৃত প্রশ্নের অনেক মিল পাওয়ায় তাদের দুজনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। পরে ইংরেজি ১ম পত্র প্রশ্ন বাতিল করে নতুন প্রশ্নপত্র তৈরি করে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এ ঘটনায় যে প্রতিষ্ঠান থেকে বিদ্যালয়ের প্রশ্ন ছাপানো হতো, সেই প্রতিষ্ঠানকেও বাদ দেওয়া হয়েছে। ঘটনার ৭ দিন পরে গত ১৩ সেপ্টেম্বর প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ তদন্তের জন্য এক সদস্যের কমিটি করেছেন বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হুমায়ুন কবির।


অভিযুক্ত খন্ডকালীন শিক্ষক মেহেদী হাসান বলেন, আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমার কাছে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। আমি এসবের সাথে সম্পৃক্ত নই।


অপরদিকে জহিরুল ইসলাম বলেন, ২০১৬ সাল থেকে আমি বিদ্যালয়ে কর্মরত আছি। ইতোপূর্বে এরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সাথে আমি জড়িত নই।


বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রেজা সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠায় খন্ডকালীন শিক্ষক মেহেদী হাসান ও কম্পিউটার অপারেটর জহিরুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় সভাপতি এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


বিদ্যালয়ের বর্তমান এডহক কমিটির সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, আমরা প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ তদন্ত করবো। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিদ্যালয়ের সকল কাজ থেকে বিরত রাখা হয়েছে।


উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিগার সুলতানা চৌধুরী বলেন, এ ঘটনা জানার পরে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং ফাঁস হওয়া প্রশ্ন বাতিল করে নতুন প্রশ্ন তৈরি করে পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নভেম্বরেই মুখোমুখি হতে পারে আর্জেন্টিনা ও স্পেন

নভেম্বরেই মুখোমুখি হতে পারে আর্জেন্টিনা ও স্পেন