ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন বাবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম ঠাকুরগাঁও সফর, আবেগঘন বার্তা দিলেন কন্যা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, ভিন্ন চিত্র পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য ১১টি করণীয় আমল সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির ওরিয়েন্টেশন ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কলম্বিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে বিদ্রোহীদের ড্রোন হামলা, নিহত ৩ '৪৩৪১ হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দেবে সরকার' ভারতের কাছে হেরে বিব্রতকর রেকর্ড গড়ল পাকিস্তান যে নিজের পরিচয় গোপন করে অপকর্ম করে, সেই বড় গুপ্ত: জামায়াত আমির হুংকার দেবেন না, বিএনপি রাজপথ থেকে উঠে আসা দল: পানিসম্পদমন্ত্রী

পেঁয়াজ রফতানিতে ভারতের ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ, আমদানি বন্ধের আশঙ্কা!

দেশের বাইরে পেঁয়াজ রফতানি নিরুৎসাহিত করতে রফতানি মূল্যের ওপর ৪০% শুল্ক আরোপ করেছে ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এখন থেকে
  • আপলোড সময় : ২০ আগস্ট ২০২৩, দুপুর ৩:৪২ সময়
  • আপডেট সময় : ২০ আগস্ট ২০২৩, দুপুর ৩:৪২ সময়
পেঁয়াজ রফতানিতে ভারতের ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ, আমদানি বন্ধের আশঙ্কা! ছবি : সংগৃহীত
দেশের বাইরে পেঁয়াজ রফতানি নিরুৎসাহিত করতে রফতানি মূল্যের ওপর ৪০% শুল্ক আরোপ করেছে ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এখন থেকে কোন পেঁয়াজ দেশের বাইরে রফতানি হলে সরকারকে ৪০ শতাংশ শুল্ককর দিতে হবে। এতে কেজিতে আরো ২০ টাকা আমদানি খরচ বাড়বে। দেশে চাহিদা বাড়ায় প্রতিদিন কমবেশি পেঁয়াজ আমদানি হলেও বর্তমানে শুল্ককর বৃদ্ধিতে রোববার সকাল থেকে কোন পেঁয়াজবাহী ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেনি। ফলে লোকশানের শঙ্কায় আমদানি বন্ধ হতে পারে।

শনিবার (১৯ আগস্ট) হঠাৎ করে এক প্রজ্ঞাপনে পেঁয়াজ রফতানির ওপর ৪০ শতাংশ শুল্ককর আরোপ করে ভারত। এতে আরো ২০ টাকা কেজিতে আমদানি খরচ বেড়ে যায়।

বাণিজ্যি সংশিষ্টরা বলছেন, দেশে চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজ উৎপাদন কম হওয়ায় বাইরে থেকে আমদানি করে চাহিদা মেটাতে হয়। আর এ পেঁয়াজ বেশির ভাগ আমদানি হয় ভারত থেকে। তবে যখন কোন খাদ্য দ্রব্যর চাহিদা বেশি দেখা দেয় তখন মূল্য বৃদ্ধি বা রফতানি বন্ধ করে ভারত। এতে বিপাকে পড়তে হয় আমদানিকারকদের। ফলে লোকশানের আশঙ্কায় পেঁয়াজ আমদানি আপাতত করবেন কিনা তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

সাধারণ ক্রেতা মনির হোসেন জানান, বর্তমানে ৬৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ খুচরা বিক্রি হচ্ছে। আমদানি কমে গেলে দাম বাড়বে। বেশি দামে পেঁয়াজ কেনা কষ্ট হয়ে যায়।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের কাস্টমস বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল লতিফ জানান, যখন দেশে নিত্য প্রয়োজনীয় কোন খাদ্যের চাহিদা বেশি দেখা দেয়। তখন মূল্য বৃদ্ধি বা রফতানি বন্ধ করে ভারত। এতে বিপাকে পড়তে হয় আমদানিকারকদের।

বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক জানান, চাহিদা মেটাতে বছরে প্রায় ৮ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়। বর্তমানে খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হঠাৎ পেঁয়াজ রফতানির ওপর ভারত সরকারের শুল্ককর বৃদ্ধিতে দেশে পেঁয়াজের বাজারে প্রভাব পড়বে।

পেঁয়াজ আমদানি কারক উজ্বল বিশ্বাস জানান, ভারতে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধিতে এমনিতেই আমদানি কমেছে। আবার নতুন করে পেঁয়াজ রফতানি নিরুৎসাহিত করতে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে ভারত। এমন সিদ্ধান্তে আমদানি কারকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমদানি কমে গেলে দেশীয় বাজারে দাম আরো বাড়বে। যার বিরূপ প্রভাব পড়বে সাধারণ ক্রেতার ওপর।

বেনাপোল বন্দর পরিচালক আব্দুল জলিল জানান, চলতি মাসে ৭৮০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি হয়েছে। নানা কারণে বর্তমানে আমদানি কমেছে।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?

রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?