পবিত্র হজের তৃতীয় দিন আজ। স্থানীয় সময় ভোর হতেই বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আগত ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মিনার দিকে যাত্রা করবেন। সেখানে পৌঁছে শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভ আল-জামারায় কংকর নিক্ষেপ করবেন তাঁরা।
এই গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতার পর হাজিরা পশু কোরবানি সম্পন্ন করবেন এবং এরপর পবিত্র নগরী মক্কায় ফিরে কাবা শরিফ তাওয়াফ করবেন। পরবর্তী দুই দিন—১১ ও ১২ জিলহজ—হজের অবশিষ্ট বিধান পালনের মাধ্যমে তাঁরা এই ইবাদতের পূর্ণতা অর্জন করবেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৫ জুন) আরাফার ময়দানে হজের কেন্দ্রীয় আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হয়। সেদিন বিকেল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে আসা লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসলমান আরাফাতের প্রান্তরে অবস্থান করেন এবং আল্লাহর দরবারে প্রার্থনায় রত থাকেন।
দুপুরে মসজিদে নামিরা থেকে খুতবা প্রদান করেন মসজিদুল হারামের খতিব শায়খ সালেহ বিন হুমাইদ। তাঁর খুতবায় তিনি মানবতার মঙ্গল ও শান্তি কামনা করেন।
আরাফা থেকে সন্ধ্যায় হাজিরা রওয়ানা হন মুজদালিফার দিকে। সেখানে তারা উন্মুক্ত আকাশের নিচে রাত অতিবাহিত করেন। ঐতিহ্য অনুযায়ী মধ্যরাত পর্যন্ত ইবাদত ও শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের জন্য কংকর সংগ্রহ করেন তাঁরা।
চলতি বছর হজে অংশ নিয়েছেন আনুমানিক ১৫ লাখ মুসল্লি। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় এই সমাবেশে যোগ দিতে পেরে অনেকে তাঁদের জীবনের পরম সৌভাগ্য বলে উল্লেখ করেছেন।
স্টাফ রির্পোটার
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন