ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে চায় ইরান ট্রাম্পের উদ্দেশে ইরানি প্রেসিডেন্টের নতুন বার্তা সরকার প্রতিটি গুমের ঘটনা তদন্ত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে: প্রধানমন্ত্রী মিরাজ শেখের নিখোঁজকে ঘিরে ‘গুমের কাহিনী’ সাজানোর চেষ্টা হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুমের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত মাস্টারমাইন্ডদের বিচার করতে হবে মজলুমদের হাত দিয়ে যে আইন হচ্ছে, তা গুমের পথ সুগম করবে: এমপি আরমান আইনের বইয়ের পাশাপাশি মামলার খুঁটিনাটিও জানতে হবে: চিফ প্রসিকিউটর মমতার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের কলকাতা পুলিশের রংপুরে শিক্ষকসহ চারজন হত্যা: মুচলেকা নিয়ে সিদ্ধার্থের বাবা-ভাইকে ছাড়ল ডিবি প্রেম-বিয়ে যেকোনো বিচ্ছেদেই মিলবে ৭ দিনের বেতনসহ ছুটি

জাপানে ৭৮ তম পরমাণু বোমা হামলার বার্ষিকী উদযাপন

জাপানে (৬ই অগাস্ট) হিরোশিমায় মার্কিন পরমাণু বোমা হামলার ৭৮তম বার্ষিকী উদযাপন করেছে দেশি।যেখানে মেয়র পারমাণবিক অস্ত্র বিলুপ্তির আহ্বান
  • আপলোড সময় : ৬ আগস্ট ২০২৩, দুপুর ১১:৩ সময়
  • আপডেট সময় : ৬ আগস্ট ২০২৩, দুপুর ১১:১৪ সময়
জাপানে ৭৮ তম পরমাণু বোমা হামলার বার্ষিকী উদযাপন জাপানে (৬ই অগাস্ট) হিরোশিমায় মার্কিন পরমাণু বোমা হামলার ৭৪তম বার্ষিকী উদযাপন করেছে দেশি।

জাপানে (৬ই অগাস্ট) হিরোশিমায় মার্কিন পরমাণু বোমা হামলার ৭৮তম বার্ষিকী উদযাপন করেছে দেশি।

যেখানে মেয়র পারমাণবিক অস্ত্র বিলুপ্তির আহ্বান জানিয়েছেন এবং জি ৭ নেতাদের পারমাণবিক প্রতিরোধের ধারণাকে "মূর্খতা" বলে অভিহিত করেছেন।

রবিবার সকাল ৮.১৫ মিনিটে একটি শান্তির ঘণ্টা বেজে ওঠে, বোমাটি ফেলার সময়। বহিরঙ্গন স্মারক অনুষ্ঠানে প্রায় ৫০,০০০ অংশগ্রহণকারী বার্ধক্য থেকে বেঁচে যাওয়া সহ এক মুহূর্ত নীরবতা পালন করেছেন।

১৯৪৫ সালের ৬ই আগস্ট সকালে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী জাপানের হিরোশিমা শহরের ওপর লিটল বয় নামের নিউক্লীয় বোমা ফেলে এবং এর তিন দিন পর নাগাসাকি শহরের ওপর ফ্যাট ম্যান নামের আরেকটি নিউক্লীয় বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

অনুমান করা হয় যে ১৯৪৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বোমা বিস্ফোরণের ফলে হিরোশিমাতে প্রায় ১৪০,০০০ লোক মারা যান। নাগাসাকিতে প্রায় ৭৪,০০০ লোক মারা যান এবং পরবর্তীতে এই দুই শহরে বোমার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান আরও ২১৪,০০০ জন। জাপানের আসাহি শিমবুন-এর করা হিসাব অনুযায়ী বোমার প্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট রোগসমূহের ওপর হাসপাতাল থেকে পাওয়া তথ্য গণনায় ধরে হিরোশিমায় ২৩৭,০০০ এবং নাগাসাকিতে ১৩৫,০০০ লোকের মৃত্যু ঘটে। দুই শহরেই মৃত্যুবরণকারীদের অধিকাংশই ছিলেন বেসামরিক ব্যক্তিবর্গ।

জাপান আত্মসমর্পণের পেছনে এই বোমাবর্ষণের ভূমিকা এবং এর প্রতিক্রিয়া ও যৌক্তিকতা নিয়ে প্রচুর বিতর্ক হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে অধিকাংশের ধারণা এই বোমাবর্ষণের ফলে যুদ্ধ অনেক মাস আগেই সমাপ্ত হয়, যার ফলে পূর্ব-পরিকল্পিত জাপান আক্রমণ সংঘটিত হলে উভয় পক্ষের যে বিপুল প্রাণহানি হত, তা আর বাস্তবে ঘটেনি। অন্যদিকে জাপানের সাধারণ জনগণ মনে করে এই বোমাবর্ষণ অপ্রয়োজনীয় ছিল, কেননা জাপানের বেসামরিক নেতৃত্ব যুদ্ধ থামানোর জন্য গোপনে কাজ করে যাচ্ছিল।

 

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস

দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস