প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমাল উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন করে বর্তমানে খুলনার কয়রার নিকট অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমশঃ বৃষ্টিপাত বাড়িয়ে পরবর্তী ২-৩ ঘণ্টার মধ্যে কিছুটা দুর্বল হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
পটুয়াখালীর উপকূলে সর্বোচ্চ ১০২ কিলোমিটার গতিবেগে আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলছে, এটি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হওয়ায় এর গতি ৯০ থেকে ১১৮ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠানামা করতে পারে। সোমবার (২৭ মে) রাত ২টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ ব্রিফিংয়ে আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক এ কথা জানান।
তিনি বলেন, আশা করছি ১০২ কিলোমিটার ঘূর্ণিঝড় রেমালের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকবে। ঘূর্ণিঝড় রেমাল প্রবল শক্তি নিয়ে উপকূল অতিক্রম করছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রে ক্রমান্বয়ে বাড়ছে বাতাসের গতি। রেমাল কেন্দ্র রাত ৯টায় উপকূল অতিক্রম শুরু করে। বাগেরহাটের মোংলা ও পটুয়াখালীর খেপুপড়া এবং পশ্চিমবঙ্গ দিয়ে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ১৮ কিলোমিটার গতিতে এগুচ্ছে।
এদিকে সোমবার (২৭ মে) রাতে আবহাওয়ার ১৬ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।
স্টাফ রির্পোটার
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন