আগামী ১০ মার্চের মধ্যে সব জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইসরায়েল। হামাস যদি এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গাজায় আটক সব জিম্মিকে মুক্তি না দেয় তবে রাফায় তীব্র আক্রমণ চালানো হবে।
জাতিসংঘের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা জানিয়েছে, ইসরায়েলি অভিযানের পর গাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ণ করতে রাফা শহরের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালে তাদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, হামাসের হাতে জিম্মিদের কোথায় রাখা হয়েছে সে বিষয়ে তাদের কাছে তথ্য রয়েছে। নাসের হাসপাতালে তাদের অভিযানকে সুনির্দিষ্ট এবং সীমিত হিসাবে বর্ণনা করেছে আইডিএফ। ইসরায়েলের দাবি ওই হাসপাতালকে সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহার করছে হামাস।
ইসরায়েলের সাবেক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী গান্তজ রোববার এক বিবৃতিতে বলেন, বিশ্বকে অবশ্যই জানতে হবে এবং হামাস নেতাদের অবশ্যই জানা উচিত যে, যদি রমজানের মধ্যে আমাদের জিম্মিরা বাড়ি ফিরতে না পারে তবে রাফাসহ সর্বত্র তীব্র লড়াই চলবে।
চলতি বছরের ১০ মার্চ গাজায় রমজান শুরু হচ্ছে। ইসরায়েলের যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রিসভা দেশটির শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় হামাস। এতে কমপক্ষে ১২০০ জন নিহত এবং ২৫৩ জনকে জিম্মি হিসেবে অপহরণ করা হয়। হামাসের হাতে এখনও প্রায় ১৩০ জন জিম্মি বন্দি রয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল।
বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন