ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
মালয়েশিয়াগামী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য অনুমোদিত ৫১ মেডিকেল সেন্টারের তালিকা প্রকাশ টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলিতে সেনাসদস্য নিহত, উদ্ধার ৫৭ জিম্মি নাজিব রাজাকের জরিমানার অর্থ পরিশোধ করল ইউএমএনও, গৃহবন্দির পথে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শীতের সবজিতে বাজারে কিছুটা স্বস্তি, চড়া দাম মুরগি-মাছ ও মাংসে অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে আজিমপুর সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ব্যবসায়ীদের বাড়তি ব্যয় না থাকলে শ্রমিকদের ৩০-৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব হতো: মাসুদুজ্জামান উত্তরায় চীনা নাগরিকদের মাসের পর মাস লাইভ ভিডিও, গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা ইরানের নিরাপত্তা পরিষদের সচিবের সঙ্গে পুতিনের বৈঠক কুবি শিক্ষার্থীদের তল্লাশি, পুলিশ পরিচয় দেওয়া তিনজনকে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন শিক্ষার্থীরা তাহসিফ হত্যা মামলায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নিতে চায় পুলিশ

কুবি শিক্ষার্থীদের তল্লাশি, পুলিশ পরিচয় দেওয়া তিনজনকে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন শিক্ষার্থীরা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) দুই শিক্ষার্থীকে তল্লাশির ঘটনায় পুলিশ পরিচয় দেওয়া তিন ব্যক্তিকে ছিনতাইকারী সন্দেহে আটক করে ক্যাম্পাসে নিয়ে
  • আপলোড সময় : ৬ নভেম্বর ২০২৬, দুপুর ১:২৭ সময়
  • আপডেট সময় : ৬ নভেম্বর ২০২৬, দুপুর ১:২৭ সময়
কুবি শিক্ষার্থীদের তল্লাশি, পুলিশ পরিচয় দেওয়া তিনজনকে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন শিক্ষার্থীরা
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) দুই শিক্ষার্থীকে তল্লাশির ঘটনায় পুলিশ পরিচয় দেওয়া তিন ব্যক্তিকে ছিনতাইকারী সন্দেহে আটক করে ক্যাম্পাসে নিয়ে যান শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয় ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দুই পক্ষের বক্তব্য শুনে বিষয়টির নিষ্পত্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কুমিল্লা শহরের পুলিশ লাইন ও সরকারি মহিলা কলেজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক তিন ব্যক্তি হলেন কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শ্যামল সাহা, কনস্টেবল হানিফএবং পুলিশের সোর্স জাহিদ। অন্যদিকে তল্লাশির শিকার দুই শিক্ষার্থী হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের সিয়াম ও অর্প।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, টিউশন শেষে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে ওই তিন ব্যক্তি তাদের পথ আটকে পকেটে হাত দিয়ে তল্লাশি করেন। নিজেদের পুলিশ সদস্য পরিচয় দিলেও তারা পরিচয়পত্র দেখাতে পারেননি। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়। তাদের দাবি, পরিচয়পত্র না দেখিয়ে শুধু ওয়াকিটকি ও হ্যান্ডকাফ প্রদর্শন করায় সন্দেহ আরও বেড়ে যায়। একপর্যায়ে ভুয়া পুলিশ ও ছিনতাইকারী সন্দেহে ওই তিনজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে তুলে জোর করে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে এএসআই শ্যামল সাহা দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের ছেড়ে দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছিল। পরে তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগের চেষ্টা করলে শিক্ষার্থীরা তাদের জোর করে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে যান। পরবর্তী সময়ে তিনজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনেন। এরপর আলোচনা করে বিষয়টির সমাধান করা হয়।

কুবির প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসাইন বলেন, পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে পরিচয়পত্র না থাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবহিত না করে কাউকে এভাবে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসা—দুই পক্ষেরই ভুল ছিল। ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে উভয় পক্ষকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তায়িন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, পুলিশের নির্ধারিত নম্বরে যোগাযোগ না করে কাউকে বাসে তুলে নিয়ে আসার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ সময় তিনি সবাইকে সাম্প্রতিক ‘মব কালচার’-এর প্রভাব থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সংঘাতের উত্তাপের মাঝে সন্তানকে আগলে মায়ের ছুটে চলা, আবেগঘন ছবি ভাইরাল

সংঘাতের উত্তাপের মাঝে সন্তানকে আগলে মায়ের ছুটে চলা, আবেগঘন ছবি ভাইরাল