ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
মুশফিকের ফিফটিতে বড় লিডের পথে বাংলাদেশ পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি ভারত কখনো মোদির মতো এমন কাপুরুষ দেখেনি: মুক্তির পর অভিজিৎ দিপকে ‘হু ইজ হাদি?’: নুরের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা রফিকুল ইসলাম মাদানির শপথের পর এক টাকাও দুর্নীতি করিনি: আমির হামজা নভেম্বরেই রোনালদোকে দলে ফেরাতে চান পর্তুগালের ফুটবলপ্রধান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের আশ্বাস ‘ভয় পাইছে, ভয় পাইছে’: সাক্ষীর উদ্দেশ্যে পলক ছুটি ঘোষণা করে নতুন জাতীয় দিবসের পরিপত্র জারি সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, চেন্নাইয়ে রোড শো করছেন মোদি

শপথের পর এক টাকাও দুর্নীতি করিনি: আমির হামজা

সরকারি অর্থের এক টাকাও দুর্নীতি করেননি—এমন দাবি করে দেশের অন্য সংসদ সদস্যদেরও একই নিশ্চয়তা দেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন
  • আপলোড সময় : ১১ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ৪:২১ সময়
  • আপডেট সময় : ১১ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ৪:২১ সময়
শপথের পর এক টাকাও দুর্নীতি করিনি: আমির হামজা

সরকারি অর্থের এক টাকাও দুর্নীতি করেননি—এমন দাবি করে দেশের অন্য সংসদ সদস্যদেরও একই নিশ্চয়তা দেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা। তাঁর বক্তব্য, দায়িত্ব নেওয়ার পর গত সাড়ে ছয় মাসে তিনি সরকারি অর্থ আত্মসাৎ বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হননি। তবে অন্য সংসদ সদস্যরা কি একইভাবে নিজেদের দুর্নীতিমুক্ত বলে দাবি করতে পারবেন? তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি দেওয়া এক বক্তব্যে আমির হামজা বলেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেওয়ার পর থেকে নিজের বিবেক ও সজ্ঞানে তিনি বলতে পারেন, গত সাড়ে ছয় মাসে সরকারি অর্থের এক টাকাও দুর্নীতি করেননি। তাঁর পাশে দায়িত্ব পালন করা অন্য সংসদ সদস্যরাও একই নিশ্চয়তা দিতে পারবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।


এ সময় জামায়াতে ইসলামীর ৬৮ জন সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকেও একই ধরনের বক্তব্য আসবে বলে দাবি করেন আমির হামজা। পাশাপাশি বাকি ২১২ জন সংসদ সদস্য দুর্নীতি করেননি—এমন নিশ্চয়তা দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে অন্য সংসদ সদস্যদের দুর্নীতিমুক্ত থাকার দাবি নিয়েও চ্যালেঞ্জ উঠে আসে। রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি দেশের চিনি উৎপাদন ও আমদানিনির্ভরতা নিয়েও কথা বলেন এই সংসদ সদস্য। তাঁর দাবি, বাংলাদেশে বছরে প্রায় ২০ লাখ মেট্রিক টন চিনির চাহিদা রয়েছে। অথচ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলোতে উৎপাদন কম হওয়ায় দেশের চাহিদার বড় অংশ মেটাতে বিদেশ থেকে চিনি আমদানি করতে হয়।


আমির হামজার মতে, বন্ধ হয়ে থাকা চিনিকলগুলো আবার চালু করা গেলে দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। এতে একদিকে বিদেশ থেকে চিনি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে, অন্যদিকে বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা পাওয়া যেতে পারে। তিনি বলেন, দেশের নিজস্ব সম্পদ কাজে লাগিয়েই চিনির উৎপাদন বাড়ানো উচিত। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, চিনিকলের অধীনে প্রায় ৭২০ বিঘা জমি পড়ে রয়েছে। এত জমি ও সম্পদ থাকার পরও কেন বিদেশ থেকে চিনি আমদানি করতে হবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।


এ ছাড়া সার, বীজ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগের বিষয়টিও তুলে ধরেন আমির হামজা। তাঁর অভিযোগ, এসব সমস্যা সমাধানে সরকারের যথেষ্ট মনোযোগ দেখা যাচ্ছে না। বরং দলীয়করণের মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা চলছে বলে সমালোচনা করেন তিনি। সব মিলিয়ে, আমির হামজার বক্তব্যে একদিকে সংসদ সদস্যদের দুর্নীতি নিয়ে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে দেশের চিনি উৎপাদন বাড়ানো ও আমদানিনির্ভরতা কমানোর দাবি উঠে এসেছে। তবে তাঁর দুর্নীতিমুক্ত থাকার দাবি এবং অন্য সংসদ সদস্যদের নিয়ে করা মন্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত বক্তব্য; এসব বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য এখানে উল্লেখ করা হয়নি।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার