ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
আম্মার ছিলেন শিবিরের ‘সাথী’, বহিষ্কার হন শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ‘হানিট্র্যাপ’ ফাঁদে ফেলে টাকা আদায়ের অভিযোগ, চক্রের ৪ নারী আটক ক্যাপ্টেনকে কুপিয়ে বিমান বিধ্বস্ত করতে চেয়েছিলেন কো-পাইলট: নেতানিয়াহু ৪৩ লাখ কৃষক এ বছর কৃষক কার্ড পাবেন: কৃষিমন্ত্রী দেশ খেয়েছে খাজুরেরা, নাম পড়েছে হুজুরের— চরমোনাই পীর দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য জার্মানিতে সাড়ে ৬ লাখ শূন্য পদ, রয়েছে অপরচুনিটি কার্ডের সুবিধা ‘বাবার রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে’ বিসিএসের গেজেট থেকে বাদ পড়ার অভিযোগ বৃহস্পতিবার টানা ৬ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব এলাকায় সর্বোচ্চ ৭ টাকা ১১ পয়সায় সৌরবিদ্যুৎ কিনবে বিতরণ সংস্থা ‘ভয়েস রেইজ করায় পুরো রাষ্ট্রশক্তিকে আমার বিরুদ্ধে নামানো হয়েছে’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জিনাত হুদা সাময়িক বরখাস্ত, ট্রাইব্যুনাল গঠন

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক জিনাত হুদাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে
  • আপলোড সময় : ১ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৩২ সময়
  • আপডেট সময় : ১ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৩২ সময়
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জিনাত হুদা সাময়িক বরখাস্ত, ট্রাইব্যুনাল গঠন

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক জিনাত হুদাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট সভায় অধ্যাপক জিনাত হুদাকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী জানিয়েছেন, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগগুলো তদন্তের জন্য একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর তার বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


তবে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্তের বিষয়ে অধ্যাপক জিনাত হুদা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, তার বিরুদ্ধে আনা কোনো অভিযোগই প্রমাণিত হয়নি। তিনি বলেন, মোট ছয়টি অভিযোগ আনা হলেও সবগুলোই ব্যর্থ হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শিক্ষক সমিতির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং তাকে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়াই এই প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য। অধ্যাপক জিনাত হুদা আওয়ামী লীগপন্থি নীল দলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলেন। পাশাপাশি তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের নির্বাচিত সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।


চব্বিশের আন্দোলনের পর তাকে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এর আগে ২০২৫ সালের মার্চে অধ্যাপক জিনাত হুদার বিচারের দাবি জানিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল। সংগঠনটির বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়েছিল, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতাকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য, গণ–অভ্যুত্থানের বিরোধিতা এবং শিক্ষক সমিতির প্রতিনিধি হিসেবে গণভবনে উপস্থিত হয়ে শেখ হাসিনার সরকারের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন দেওয়ার মতো ঘটনায় তিনি জড়িত ছিলেন।


তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অধ্যাপক জিনাত হুদা নিজে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। এখন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গঠিত ট্রাইব্যুনালের তদন্ত প্রতিবেদনের ওপরই তার বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ইরানকে যেকোনো সহায়তা দিলে বরদাশত করা হবে না: সি চিন পিংকে ট্রাম্প

ইরানকে যেকোনো সহায়তা দিলে বরদাশত করা হবে না: সি চিন পিংকে ট্রাম্প