সিরিয়ার হোমস প্রদেশে যাত্রীবাহী একটি বাসে বন্দুকধারীদের হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সানা। বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, মাসিয়াফ সেতু পার হওয়ার সময় অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা বেসামরিক একটি বাস লক্ষ্য করে গুলি চালায়। বাসটিতে একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। হঠাৎ চালানো এই হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটে।
হামলার খবর পেয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেন। হোমসের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বাসেম মুহাম্মদ শাবান জানিয়েছেন, হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান অব্যাহত থাকবে। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, হোমস প্রদেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার চেষ্টা হিসেবেই এই হামলাকে দেখা হচ্ছে। এই অপরাধের বিচার করা হবে এবং হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত অভিযান চলবে।
এদিকে, বাসে হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের কাছে পূর্ব ঘৌতায় একটি গ্যাস পাইপলাইনে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের পর দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিলে দেইর আলি, আল-নাসিরিয়াহ ও তিশরিন—এই তিনটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যায়। সিরিয়ার বিদ্যুৎ কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, তিশরিন বিদ্যুৎকেন্দ্রেও আগুন লাগে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এর মাত্র দুই দিন আগেও পূর্ব সিরিয়ার আরেকটি গ্যাস পাইপলাইনে নাশকতামূলক হামলা চালানো হয়েছিল। পরপর বাসে সশস্ত্র হামলা, গ্যাস পাইপলাইনে বিস্ফোরণ ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সিরিয়ার নিরাপত্তা ও জ্বালানি অবকাঠামো নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন