ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :

ইউক্রেনে রুশ ড্রোন হামলা: অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন বরিস জনসন

পোল্যান্ড সীমান্ত থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে ইউক্রেনের একটি ট্রেনে রুশ ড্রোন হামলার ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি
  • আপলোড সময় : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৫৫ সময়
  • আপডেট সময় : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৫৫ সময়
ইউক্রেনে রুশ ড্রোন হামলা: অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন বরিস জনসন

পোল্যান্ড সীমান্ত থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে ইউক্রেনের একটি ট্রেনে রুশ ড্রোন হামলার ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়, হামলার মাত্র কিছুক্ষণ আগে একই রেলপথ দিয়ে যাওয়া একটি ট্রেনে ছিলেন সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনসহ ইউরোপের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। তবে সৌভাগ্যক্রমে তাদের বহনকারী ট্রেনটি হামলার শিকার হয়নি এবং ঘটনায় কোনো হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি।


ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পোল্যান্ড সীমান্তসংলগ্ন ইয়াহোদিন এলাকায় রুশ ড্রোন হামলায় একটি ট্রেনের ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় এর আগেই ট্রেনটির যাত্রীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এদিকে বরিস জনসনের সঙ্গে ওই সময় একই রেলপথে যাতায়াত করছিলেন যুক্তরাজ্যের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জোনাথন পাওয়েলসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশের জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা। কিয়েভে একটি সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পর ফেরার পথে তারা ওই রেলপথ ব্যবহার করেন। তবে তাদের ট্রেনটি হামলার আগেই এলাকা পার হয়ে যায়।


ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দাবি, হামলার লক্ষ্য সম্ভবত ছিল কূটনৈতিক ট্রেনটি। রুশ হামলার আশঙ্কায় আগে থেকেই ট্রেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। এর ফলে কূটনৈতিক ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ের আগেই স্টেশন ছেড়ে যায়। আর হামলার শিকার হওয়া ট্রেনটির যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল হামলার মাত্র ১৫ মিনিট আগে। ফলে বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।


ঘটনার সময় ইয়াহোদিন স্টেশনে থাকা আরেকটি ট্রেনেও ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক প্রধান ডেভিড পেট্রাউস। তিনিও নিরাপদে আছেন বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে রাশিয়া জানিয়েছে, তারা পশ্চিম ইউক্রেনের রেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে হামলার লক্ষ্য কূটনৈতিক ট্রেন ছিল কি না, সে বিষয়ে মস্কোর পক্ষ থেকে কোনো স্বীকৃতি পাওয়া যায়নি।


সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, ড্রোনটি যে এলাকায় আঘাত হেনেছে সেটি পোল্যান্ড সীমান্ত থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে। ইউক্রেন ও পোল্যান্ডের কর্তৃপক্ষ উভয়েই এই দূরত্ব নিশ্চিত করেছে। ফলে সীমান্তবর্তী এই এলাকায় রুশ ড্রোন হামলা শুধু ইউক্রেনের জন্য নয়, প্রতিবেশী পোল্যান্ড ও পুরো ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে হামলার সময় ইউরোপের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা একই রেলপথে অবস্থান করায় ঘটনাটি আরও স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
‘৮০-৯০ দশকের’ ছবি বানাচ্ছেন? জেনে নিন আড়ালের ঝুঁকিগুলো

‘৮০-৯০ দশকের’ ছবি বানাচ্ছেন? জেনে নিন আড়ালের ঝুঁকিগুলো