ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
ডলারের বাজার স্থিতিশীল রাখতে রিজার্ভ থেকে আরও ১০ কোটি ডলার বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক কক্সবাজারে বিপুলসংখ্যক আইফোন ও কম্পিউটার উদ্ধারের মামলায় ছয় বিদেশি নাগরিকের জামিন উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাতে যেসব ৩ খাবার এড়িয়ে চলবেন মোংলা হয়ে খুলনায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস শিল্পাঞ্চলে সহিংসতা কঠোরভাবে দমনের নির্দেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলে সহযোগিতার আশ্বাস ইরানের মাগুরায় যুবদল নেতা হত্যার নেপথ্যে স্বর্ণ লুটের বিরোধ, পুলিশের দাবি দিল্লির স্কুলে খেলাধুলার ক্লাস শেষে অজ্ঞান হয়ে ৯ বছরের ছাত্রীর মৃত্যু সেন্ট মার্টিন রুটে চলবে তিন পর্যটকবাহী জাহাজ, অনুমোদন দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজায় বাধার প্রতিবাদে মানিকগঞ্জে বিক্ষোভ

অর্থ পাচার সন্দেহে ২০২১ সালে বন্ধ করা হয় ট্রাম্পের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট

অর্থ পাচারের সন্দেহে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শতাধিক ব্যাংক হিসাব ২০২১ সালে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলে
  • আপলোড সময় : ৪ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:২৯ সময়
  • আপডেট সময় : ৪ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:২৯ সময়
অর্থ পাচার সন্দেহে ২০২১ সালে বন্ধ করা হয় ট্রাম্পের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট

অর্থ পাচারের সন্দেহে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শতাধিক ব্যাংক হিসাব ২০২১ সালে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে জমা দেওয়া নথিতে দাবি করেছে দেশটির একটি শীর্ষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা ওই নথিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আদালতে দাখিল করা আবেদনে আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির দাবি, দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান ও অর্থপাচারবিরোধী পর্যবেক্ষণ দলের তদন্তে আর্থিক লেনদেনে অনিয়মের ইঙ্গিত পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুসরণ করেই সংশ্লিষ্ট হিসাবগুলো বন্ধ করা হয়। এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য জড়িত ছিল না বলেও তারা দাবি করেছে।


অন্যদিকে, রাষ্ট্রপ্রধানের পক্ষের অভিযোগ, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে দেশটির আইনসভা ভবনে সহিংস ঘটনার পর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে তার ব্যাংক হিসাবগুলো বন্ধ করা হয়েছিল। এ অভিযোগের ভিত্তিতে ক্ষমতায় ফিরে আসার পর তার একটি আর্থিক হোল্ডিং প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা করে। আদালতের নথিতে আরও বলা হয়েছে, ওই আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে রাষ্ট্রপ্রধানের এক দশকেরও বেশি সময়ের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। গলফ ক্লাব, আঙুরের বাগানভিত্তিক ব্যবসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে তিন শতাধিক হিসাব পরিচালিত হতো। হিসাব বন্ধের আগে অন্য ব্যাংকে লেনদেন স্থানান্তরের জন্য কয়েক মাস সময়ও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।


একই ধরনের অভিযোগে দেশটির আরেকটি বৃহৎ ব্যাংকের বিরুদ্ধেও কয়েক বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোনো গ্রাহকের ব্যাংকিং সুবিধা বন্ধ করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। রাষ্ট্রপ্রধানের আইনজীবীরা পুরো ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ বলে দাবি করেছেন। অন্যদিকে ব্যাংকিং খাতে বৈষম্যমূলক আচরণ রোধে ২০২৫ সালে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন রাষ্ট্রপ্রধান।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
উদ্যোক্তা তৈরিতে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

উদ্যোক্তা তৈরিতে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী