ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
৩০ থেকে ৭০এর দশকেও সুস্থ রাখতে পারে এই অভ্যাস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ার ৮ বিমানবন্দর বন্ধ, আটকা ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫ লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন বাবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম ঠাকুরগাঁও সফর, আবেগঘন বার্তা দিলেন কন্যা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, ভিন্ন চিত্র পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য ১১টি করণীয় আমল সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির ওরিয়েন্টেশন ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কলম্বিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে বিদ্রোহীদের ড্রোন হামলা, নিহত ৩ '৪৩৪১ হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দেবে সরকার'

এক অদম্য মুসলিম নারীর ত্যাগেই আজকের লামিনে ইয়ামাল

মাত্র ১৯ বছর বয়সেই বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে ফুটবল ইতিহাসে নিজের নাম লিখিয়েছেন স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। মাঠে
  • আপলোড সময় : ২১ জুলাই ২০২৬, দুপুর ২:৫৫ সময়
  • আপডেট সময় : ২১ জুলাই ২০২৬, দুপুর ২:৫৫ সময়
এক অদম্য মুসলিম নারীর ত্যাগেই আজকের লামিনে ইয়ামাল

মাত্র ১৯ বছর বয়সেই বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে ফুটবল ইতিহাসে নিজের নাম লিখিয়েছেন স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। মাঠে তার দুর্দান্ত নৈপুণ্য বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়ালেও, এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে এক পরিবারের দীর্ঘ সংগ্রাম আর এক দাদির অসীম আত্মত্যাগের গল্প। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ইয়ামালের ফুটবল যাত্রার ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন তার পৈতৃক দাদি ফাতিমা রোমানি। পরিবারের সুন্দর ভবিষ্যতের আশায় তিনি বহু বছর আগে মরক্কো ছেড়ে একা স্পেনে পাড়ি জমান। সে সময় তার কাছে ছিল না পর্যাপ্ত অর্থ, ছিল না প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও। তবুও পরিবারের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই তিনি জীবনের বড় ঝুঁকি নেন।


স্পেনে পৌঁছে তিনি বিভিন্ন শহরে কঠোর পরিশ্রম করেন। দিনে একাধিক কাজ করে অর্থ সঞ্চয় করেন, যাতে মরক্কোতে থাকা নিজের সন্তানদের স্পেনে এনে নতুন জীবন শুরু করাতে পারেন। দীর্ঘ সংগ্রামের পর তিনি পরিবারের সবাইকে একত্র করতে সক্ষম হন। পরবর্তীতে ইয়ামালের বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পরও ভেঙে পড়েননি এই নারী। কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও তিনি নাতিকে আগলে রাখেন, মানসিক শক্তি জোগান এবং ফুটবলের প্রতি তার মনোযোগ ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।


বিশ্বজয়ী হওয়ার পরও নিজের শিকড় ভুলে যাননি ইয়ামাল। গোল উদ্‌যাপনের সময় তিনি প্রায়ই ‘৩০৪’ সংখ্যা দেখান, যা তার বেড়ে ওঠা এলাকার পোস্টকোডের প্রতি ভালোবাসার প্রতীক। একাধিক সাক্ষাৎকারে ইয়ামাল জানিয়েছেন, ট্রফি জয়ের চেয়েও তার কাছে বড় সুখ হলো বাবা, মা এবং দাদিকে ভালো রাখা। ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর নিজের উপার্জনের অর্থ দিয়ে তিনি দাদির জন্য একটি বাড়িও কিনে দিয়েছেন, যেখানে তিনি এখন শান্তিতে বসবাস করছেন।


ফুটবলবিশ্বে আজ ইয়ামাল একজন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। তবে তার এই অর্জনের পেছনে যে নিঃস্বার্থ সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও পারিবারিক ভালোবাসার গল্প রয়েছে, সেটিই এখন কোটি মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার নতুন উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?

রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?