ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
প্রাইভেট জেট ব্যবহার করে খেলা দেখতে গিয়ে পৃথিবীর বিশাল ক্ষতি করেছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট ‘আর্জেন্টিনা অনেক ফাউল করেও সহজে পার পেয়ে গেছে’ সময় টিভির চেয়ারম্যানদের বিরুদ্ধে মামলা স্থগিত করল হাইকোর্ট মার্শাল আর্টের আড়ালে সদস্য সংগ্রহ ও উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনা করতেন তারা মেসি আমার বন্ধু, সে দলের সমস্যাগুলোর সমাধান করতে পারে- বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে রোনালদিনহো নির্বাচন কে করবে, না করবে এটা আদালত ও ইসির বিষয়: বিএনপি বিশ্বকাপ সম্প্রচারে ২০২২ সালে ১৪০ কোটির দুর্নীতি, এবারে খরচ প্রায় শূন্য: তথ্যমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে ফলের বক্স থেকে ১৬ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার রেকর্ড পাস আর নিখুঁত নিশানায় স্পেনের মাঝমাঠের ‘অদৃশ্য নিয়ন্ত্রক’ রদ্রি ব্রাউজারে ফিরেছে ফেসবুক

১৬ বছর পর আবারও বিশ্বজয়ের দ্বারপ্রান্তে স্পেন

ইউরোপের চ্যাম্পিয়নের মুকুট মাথায় নিয়ে ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে বিভোর স্পেন। আজ নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে
  • আপলোড সময় : ১৯ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১২:১১ সময়
  • আপডেট সময় : ১৯ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১২:১১ সময়
১৬ বছর পর আবারও বিশ্বজয়ের দ্বারপ্রান্তে স্পেন

ইউরোপের চ্যাম্পিয়নের মুকুট মাথায় নিয়ে ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে বিভোর স্পেন। আজ নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে লা রোহা। লক্ষ্য একটাই—বিশ্বকাপের দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তোলা এবং নতুন ইতিহাস লেখা। এই ফাইনালের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ দুই প্রজন্মের দুই মহাতারকার লড়াই। একদিকে ৩৯ বছর বয়সী কিংবদন্তি লিওনেল মেসি, অন্যদিকে মাত্র ১৯ বছর বয়সী বিস্ময়বালক লামিন ইয়ামাল। বার্সেলোনার ভবিষ্যৎ উত্তরসূরি হিসেবে যাকে দেখা হয়, সেই ইয়ামাল এবার মাঠে মুখোমুখি হচ্ছেন নিজের শৈশবের অনুপ্রেরণার বিপক্ষে।


এই দ্বৈরথকে আরও আবেগঘন করে তুলেছে একটি পুরোনো স্মৃতি। ২০০৭ সালে একটি দাতব্য ফটোসেশনে শিশু ইয়ামালকে কোলে নিয়ে স্নান করাতে সাহায্য করেছিলেন তরুণ মেসি। বছরের পর বছর পর সেই দুই মুখই আজ বিশ্বকাপ ফাইনালে দুই প্রতিপক্ষের জার্সিতে। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে স্পেন নিজেদেরকে সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ দল হিসেবে প্রমাণ করেছে। সাত ম্যাচে মাত্র একটি গোল হজম করে ফাইনালে পৌঁছেছে তারা। আক্রমণ ও রক্ষণ—দুই বিভাগেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে স্প্যানিশরা।


স্পেনের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের বলের দখল ও দলগত ফুটবল। ছোট ছোট নিখুঁত পাস, দ্রুত পজিশন বদল এবং প্রতিপক্ষকে চাপে রেখে খেলার কৌশল পুরো আসরেই কার্যকর হয়েছে। গড়ে ম্যাচের অধিকাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে প্রতিপক্ষকে ক্লান্ত করে তুলেছে তারা। উইং দিয়ে দ্রুত আক্রমণ, ফুলব্যাকদের সামনে উঠে আসা এবং মাঝমাঠের নিখুঁত সমন্বয় স্পেনকে করে তুলেছে আরও ভয়ংকর। আক্রমণভাগে ইয়ামাল, ওয়ারজাবাল, দানি অলমো, ফেরান তোরেস ও মিকেল মেরিনো প্রতিপক্ষের রক্ষণে একের পর এক চাপ সৃষ্টি করেছেন।


তবে পুরো দলের ছন্দের মূল কারিগর মাঝমাঠের নেতা রদ্রি। আক্রমণ গড়া থেকে শুরু করে খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ—সব ক্ষেত্রেই তিনি স্পেনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার। পুরো টুর্নামেন্টে ধারাবাহিকভাবে নিখুঁত পাস ও বল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দলের মেরুদণ্ড হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি। আজকের ফাইনালে স্পেনের সামনে একদিকে ইতিহাস, অন্যদিকে মেসির নেতৃত্বে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার কঠিন চ্যালেঞ্জ। ইউরোপের সেরা দল কি আবার বিশ্বসেরা হবে, নাকি মেসির হাত ধরেই শিরোপা ধরে রাখবে আর্জেন্টিনা—সেই উত্তর মিলবে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত মহারণ শেষে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা

কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা