ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
‘কোচ সেজে’ আর বিদেশ ভ্রমণ করতে পারবেন না ফেডারেশন কর্মকর্তারা মার্কিনিদের পরিদর্শনের সময় লোডশেডিং, মোবাইলের আলোয় দেখলেন ডাকসুর জুলাই জাদুঘর পুলিশের সামনে পুষ্পা স্টাইল করা আসামিকে আদালত চত্বরে গণপিটুনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কাছে ভারতের গাভাস্কার-কপিলসহ ২১ অধিনায়কের চিঠি সার্ককে শক্তিশালী করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী বান্দরবানে দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের বদলির নীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে: সারজিস আলম প্রতিদিন পাঁচ ঘণ্টা করে লোডশেডিং থাকবে বুয়েটে স্কুলের কমিটিতে রাজনৈতিক দলের নেতা থাকতে পারবেন না: কায়সার কামাল পুলিশের দুই ডিআইজিকে এনএসআইয়ে বদলি রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতায় জড়িত ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

হিজাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো কর্ণাটক

ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে হিজাব নিষিদ্ধ করে যে আইন করা হয়েছিল তা তুলে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে রাজ্যের কংগ্রেস সরকার।
  • আপলোড সময় : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৩, দুপুর ১১:২৪ সময়
  • আপডেট সময় : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৩, দুপুর ১১:২৪ সময়
হিজাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো কর্ণাটক ছবি : সংগৃহীত
ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে হিজাব নিষিদ্ধ করে যে আইন করা হয়েছিল তা তুলে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে রাজ্যের কংগ্রেস সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া গতকাল শুক্রবার এই ঘোষণা দিয়েছেন। রাজ্যে হিজাব নিষিদ্ধ করার আইন বাতিলে কোনো অসুবিধা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, যার যা খুশি সে তাই পরবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল শুক্রবার মাইসোরে এক জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে হিজাব নিষিদ্ধ করার আইন প্রসঙ্গে সিদ্ধারামাইয়া বলেন, ‘হিজাব নিষিদ্ধ আইন এখন আর কার্যকর নেই। (নারীরা) এখন চাইলে হিজাব পরতে পারবেন এবং যেখানে খুশি যেতে পারবেন। আমি এই আইন তুলে নেওয়ার আদেশ দিয়েছি।

কংগ্রেস থেকে নির্বাচিত এই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কর্ণাটকের মানুষের খাওয়া-পরার স্বাধীনতা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘তাই পরিধান করুন, যা আপনাদের মন চায়। তাই খান, যা আপনার মন চায়। আমরাও যা খেতে মন চায়, আমি তাই খাব; আপনার যা খেতে মন চাইবে আপনি তাই খাবেন। আমার পছন্দ ধুতি, তাই আমি এটি পরি। আপনার পছন্দ প্যান্ট-শার্ট, আপনি তাই পরবেন। এতে ভুলের কি আছে?’ 

এর আগে, ২০২২ সালের শুরুতে তৎকালীন বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাইয়ের নেতৃত্বের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব নিষিদ্ধ করে। যার ফলে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ প্রতিবাদ শুরু হয়। সে বছরের জানুয়ারিতে উদুপির একটি স্কুলের ছাত্রীরা শিক্ষকদের নির্দেশ থাকার পরও হিজাব ব্যবহার বাদ দিতে অস্বীকৃতি জানান। তখন থেকেই এই হিজাব বিতর্ক শুরু। এর পর পাঁচ শিক্ষার্থী বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন। কিন্তু আদালত সরকারের অবস্থান বহাল রাখে। 
 সে সময় কর্ণাটক হাইকোর্ট তাঁর রায়ে বলেছিল, হিজাব পরা ইসলামের বাধ্যতামূলক ধর্মীয় অনুশীলন নয় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তাদের শিক্ষার্থীদের ড্রেস কোড নির্ধারণের অধিকার রাখে। পরে বিষয়টি ভারতের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। তবে সেখানেও একটি বিভক্ত রায় দেওয়া হয়। সেখানে বিচারকেরা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ড্রেস কোড নির্ধারণের অধিকার রাখে তবে পোশাক পছন্দ করা ব্যক্তির একান্ত অধিকার।

পরে ২০২২ সালের জুনে কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় আসার পর কর্ণাটকের মন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গে এনডিটিভিকে বলেছিলেন, বিজেপি সরকারের আনা ‘যেসব আইন’ ‘পশ্চাদপসরণমূলক’ বলে বিবেচিত হয়েছে তা নতুন রাজ্য সরকার বাতিল করবে। এ সময় তিনি বিজেপির আনা হিজাব নিষিদ্ধ ও গোহত্যা বিরোধী আইনের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, অর্থনৈতিকভাবে কর্ণাটকের বৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং রাজ্যকে পেছনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে চলেছে—এমন যেকোনো আইন পর্যালোচনা করা হবে এবং প্রয়োজনে বাতিল করা হবে।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কানাডার সঙ্গে চুক্তি করে শুল্ক স্থগিত করলেন ট্রাম্প

কানাডার সঙ্গে চুক্তি করে শুল্ক স্থগিত করলেন ট্রাম্প