ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে মোদির সঙ্গে ত্রিবেদীর ‘খুব ভালো’ ও ‘দীর্ঘ’ বৈঠক শিশির মনিরকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার চাইলেন রাশেদ খাঁন জঙ্গল সলিমপুরের পাশে পুলিশ একাডেমি ও কারাগার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিউমুরিং টার্মিনাল ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ রাজধানীতে, পুলিশের লাঠিপেটা পাকিস্তানি সেনারা সৌদি আরবে অবস্থান করছেন: পাকিস্তান সেনাবাহিনী গাঢ় নীল পোশাকে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন জয়া আহসান রোলারের চাপায় ৩ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি ভারতের সঙ্গে শত্রুতা আমাদের প্রত্যাশা নয়, প্রশ্ন হচ্ছে ‘স্বার্থ সুরক্ষা’: নাহিদ ইসলাম শেখ হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া জানালো ভারত পর্দার ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’ এবার বাস্তবেও মন্ত্রীর মর্যাদায়

‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় মুক্তিযোদ্ধাকে লাঞ্ছিত ও ক্ষমা চাইতে বাধ্য করার অভিযোগ

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় উন্মুক্ত বাজেট সভায় বক্তব্য শেষে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে বীর মুক্তিযোদ্ধা
  • আপলোড সময় : ১৬ মে ২০২৬, সকাল ৯:৫৭ সময়
  • আপডেট সময় : ১৬ মে ২০২৬, সকাল ৯:৫৭ সময়
‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় মুক্তিযোদ্ধাকে লাঞ্ছিত ও ক্ষমা চাইতে বাধ্য করার অভিযোগ

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় উন্মুক্ত বাজেট সভায় বক্তব্য শেষে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমানকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে হাজিনগর ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন ওই বীর মুক্তিযোদ্ধা। বক্তব্য শেষের দিকে তিনি অসাবধানতাবশত স্লোগানটি উচ্চারণ করেন এবং পরে তাৎক্ষণিকভাবে ভুল স্বীকার করেন। তবে এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।


অভিযোগ অনুযায়ী, যুবদল কর্মী পরিচয় দেওয়া আলাউদ্দিন ও তার কয়েকজন সহযোগী স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে আপত্তি জানান এবং হট্টগোল সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে তারা ওই মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং মাইকে তাকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান বলেন, তিনি বক্তব্যের সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে স্লোগানটি দিয়ে ফেলেন এবং সঙ্গে সঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করেন। এরপরও তাকে প্রকাশ্যে অপমান ও লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।


অন্যদিকে অভিযুক্ত আলাউদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও দাবি করেন, এটি একটি তাৎক্ষণিক উত্তেজনার পরিস্থিতি ছিল এবং তিনি একা নন, উপস্থিত অনেকেই প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন। পরে মুক্তিযোদ্ধা নিজেই মাইকে ক্ষমা চেয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন। হাজিনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফিরোজ মাহমুদ বলেন, আলাউদ্দিন দলের কর্মী দাবি করলেও তার কোনো সাংগঠনিক পদ নেই এবং অতীতে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।


বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নওগাঁ জেলা ইউনিটের আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম ঘটনাটিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্লোগান নিয়ে এমন পরিস্থিতি অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। স্থানীয়ভাবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ