ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
এক ম্যাচেই ১১ জনের অভিষেক, বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত সুলিভানের ইতিহাস মিরপুরের টিকাকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দিয়ে জমি দখল ইসরায়েলিদের মতো: হাসনাত আবদুল্লাহ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, ৩ প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ সফর শেষে নিউইয়র্ক থেকে দুবাই পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ইরানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের তীব্র বিরোধিতা চীনের ভারত থেকে ফেসবুকে হুংকার দিয়ে কোনো কাজ হবে না: বিদ্যুৎমন্ত্রী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আটক ভয়াবহ বন্যায় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকককে দুর্যোগকবলিত ঘোষণা জীবননগরে দুদিনে ৯১৫ বস্তা সার জব্দ, ব্যবসায়ী আটক

আরও দুই মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতির জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও মিরপুর থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম
  • আপলোড সময় : ১২ মে ২০২৬, দুপুর ২:২১ সময়
  • আপডেট সময় : ১২ মে ২০২৬, দুপুর ২:২১ সময়
আরও দুই মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতির জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও মিরপুর থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক জামিন পেয়েছেন। মঙ্গলবার (১২ মে) হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এ আদেশ দেন। বিষয়টি জানিয়েছে দৈনিক ইত্তেফাক। বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের বেঞ্চে এই জামিন আদেশ দেওয়া হয়। আদালতে তার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরীসহ কয়েকজন আইনজীবী।


আইনজীবীরা জানিয়েছেন, নতুন এই আদেশের ফলে তার কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই। এর আগে তিনি আরও পাঁচটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছিলেন। ঘটনার সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।


এরপর তার বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগ, আইনজীবী সমিতির সাবেক নেতার দায়ের করা মামলা, এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা উল্লেখযোগ্য। পরে তিনি অধস্তন আদালতে জামিন না পেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন। হাইকোর্ট কয়েকটি মামলায় জামিন দিলেও রাষ্ট্রপক্ষ তা স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে যায়, তবে আপিল বিভাগ সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।


পরবর্তীতে নতুন দুই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হলে তিনি আবারও হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে সর্বশেষ এই আদেশ আসে। উল্লেখ্য, এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালে দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং ২০১১ সালে অবসরে যান। পরে তিনি আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।


সূত্র: হাইকোর্ট রায় ও আইনজীবীদের বক্তব্য।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ