ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত’, ওয়াল স্ট্রিটে বললেন প্রধানমন্ত্রী ‘আসলে আমাকে নিয়ে ট্রল হওয়ার মতো কোনো কাজ জীবনেও করিনি’ ‘ক্ষমতার গরমের আঁচ পড়েছে’, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ায় শফিকুর রহমানের উদ্বেগ কঙ্গোতে বিমান দুর্ঘটনায় দুই জেনারেলসহ নিহত ১৪ সাইবার সুরক্ষা আইন এখনো চূড়ান্ত নয়, সংশোধনের সুযোগ রয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা ‘২০২৭ বিশ্বকাপই শেষ’—জানালেন কোহলি দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ ভারতে ভেজাল মদ পানে ১৯ প্রাণহানি, গ্রেপ্তার ১৯ স্কালোনিকে নিয়ে ভক্তদের সুখবর দিলো আর্জেন্টিনা ‘দল-মত দেখবো না, অপরাধী যেই হোক আইনের আওতায় নিয়ে আসবো’

চট্টগ্রামে বোরো ধানের এক-তৃতীয়াংশ কাটা শেষ, বাকি ধান নিয়ে আশঙ্কা

এপ্রিলের শেষ দিকের ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার তিনটি স্থানে পাহাড়ি ঢলে পাকা বোরো ধানের কিছু ক্ষতি হয়েছে।
  • আপলোড সময় : ৯ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪৩ সময়
  • আপডেট সময় : ৯ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪৩ সময়
চট্টগ্রামে বোরো ধানের এক-তৃতীয়াংশ কাটা শেষ, বাকি ধান নিয়ে আশঙ্কা

এপ্রিলের শেষ দিকের ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার তিনটি স্থানে পাহাড়ি ঢলে পাকা বোরো ধানের কিছু ক্ষতি হয়েছে। তবে জেলার অন্যান্য এলাকায় বড় ধরনের ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, আশঙ্কা থাকলেও ব্যাপক পাহাড়ি ঢল না নামায় অধিকাংশ ফসল রক্ষা পেয়েছে। এখন পর্যন্ত জেলার ১৫টি উপজেলায় প্রায় ২০ থেকে ২৬ শতাংশ বোরো ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে, যা মোট আবাদকৃত ফসলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।


কৃষকদের মতে, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার এপ্রিলের শেষ দিকে অস্বাভাবিক ভারী বৃষ্টি দেখা যায়। মৌসুমি বায়ু আসার আগে কালবৈশাখী ও বায়ুচাপের প্রভাবে কিছু এলাকায় পাহাড়ি ঢলের ঝুঁকি তৈরি হলেও কৃষকরা সময়মতো ফসল কেটে তা রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন। ফসল কাটার কাজ চলবে মে মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত।চট্টগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ফসলহানির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে চলতি মৌসুমে বোরো ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অপরিবর্তিত রয়েছে।


চট্টগ্রামে বোরো উৎপাদনে শীর্ষ উপজেলা বাঁশখালীর কৃষি কর্মকর্তা শ্যামলচন্দ্র সরকার জানান, এবার ১১ হাজার ৯৬৫ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্য থাকলেও তা বেড়ে ১২ হাজার ১০ হেক্টরে পৌঁছেছে। সেখানে ফসল কাটা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং কোনো বড় ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি।অন্যদিকে ফটিকছড়ি উপজেলায় কৃষি কর্মকর্তা আবু সালেহ জানান, ভারী বৃষ্টিতে সামান্য ক্ষতি হলেও বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এ উপজেলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ২৩ শতাংশ ফসল কাটা শেষ হয়েছে। এখানে এবার ৮ হাজার ৩৮৫ হেক্টর জমির পরিবর্তে ১০ হাজার ৫১৫ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে।


রাঙ্গুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে তিনটি এলাকায়—গুমাইবিলের ব্রহ্মোত্তর, পদুয়া ও কোদালা ইউনিয়ন। কৃষি কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস জানান, এসব এলাকায় পাহাড়ি ঢলে কিছু ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৬ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আরও জানান, রাঙ্গুনিয়ায় এবার ৯ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে এবং আগামী ১২-১৩ দিনের মধ্যে ফসল কাটার কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
‘দাঁড়াও, এখানে কী করো তুমি?’—সিএনএন সাংবাদিককে ট্রাম্প

‘দাঁড়াও, এখানে কী করো তুমি?’—সিএনএন সাংবাদিককে ট্রাম্প