ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
ফিফা সংস্কারের দাবিতে একজোট ইউরোপের শীর্ষ চার লিগ ইরানকে যেকোনো সহায়তা দিলে বরদাশত করা হবে না: সি চিন পিংকে ট্রাম্প ‘নাসীরুদ্দীন-আসিফ-আম্মারের নাম ধরে তাকে বলা হতো, জুলাইয়ের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে এভাবে নির্যাতন করা হবে’ শেখ হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ও ভারত মিলে নেবে, ‘আশা’ যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত: প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণের কড়া সমালোচনা নিউইয়র্কের মেয়র মামদানির জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার ধাক্কা নিত্যপণ্যের বাজারে ডিজেলের বাড়তি দামে নিয়ন্ত্রণহীন ট্রাক ভাড়া দুপুরের মধ্যে দেশের ৩ জেলায় ঝড়বৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা চুক্তি করে সাতদিনের মধ্যে হরমুজ খুলে দেওয়ার প্রস্তাব ইরানের

রোদ ফিরতেই ধান শুকানোয় ব্যস্ত হাওরের কৃষক

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পর রোদ উঠতেই হাওরাঞ্চলের কৃষিজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। কৃষকেরা এখন দ্রুত ধান
  • আপলোড সময় : ৭ মে ২০২৬, দুপুর ১০:১৭ সময়
  • আপডেট সময় : ৭ মে ২০২৬, দুপুর ১০:১৭ সময়
রোদ ফিরতেই ধান শুকানোয় ব্যস্ত হাওরের কৃষক

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পর রোদ উঠতেই হাওরাঞ্চলের কৃষিজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। কৃষকেরা এখন দ্রুত ধান শুকানোর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। নদনদীর পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় বেশির ভাগ পয়েন্টে কমতে শুরু করেছে বলে জানা গেছে। নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলার হাওরাঞ্চলে বোরো মৌসুমে এবার ব্যাপক ফসলহানি হয়েছে। অনেক জমির ধান পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। আবার কাটা ধানের একটি বড় অংশও বৃষ্টিতে ভিজে গিয়ে ক্ষতির মুখে পড়ে। তবে কয়েক দিনের রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া কৃষকদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে।


খালিয়াজুরী এলাকায় কৃষকেরা এখন খোলা মাঠ, বাড়ির আঙিনা ও সড়কের ধারে ধান শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কৃষকরা জানিয়েছেন, ক্ষতি হলেও যেটুকু ধান রক্ষা করা সম্ভব, সেটাই দ্রুত শুকিয়ে সংরক্ষণ করার চেষ্টা চলছে। স্থানীয় এক কৃষক জানান, তার সাত একর জমির মধ্যে এক একর পানিতে তলিয়ে গেছে এবং বাকি ধান কাটা হলেও বৃষ্টির কারণে শুকাতে পারেননি। এখন রোদ ওঠায় ধান বাঁচানোর চেষ্টা চলছে।


স্থানীয় কৃষি অফিস জানিয়েছে, হাওরের অনেক এলাকায় ইতোমধ্যে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে বর্তমান রোদ কিছুটা হলেও অবশিষ্ট ধান রক্ষায় সহায়তা করছে। কৃষকদের দ্রুত ধান শুকিয়ে সংরক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে কিশোরগঞ্জের নিকলী এলাকায়ও রোদ ওঠার পর কৃষকেরা ধান শুকানো ও পানি থেকে ফসল উদ্ধারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। নদনদীর পানি বেশির ভাগ পয়েন্টে কমলেও কিছু এলাকায় সামান্য ওঠানামা লক্ষ্য করা গেছে।


পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, জেলার সব নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে থাকলেও উজানের পানি ও বৃষ্টিপাত বাড়লে আবারও পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, হাওরাঞ্চলে প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমি পানিতে তলিয়ে গিয়ে প্রায় ৫০ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
‘দাঁড়াও, এখানে কী করো তুমি?’—সিএনএন সাংবাদিককে ট্রাম্প

‘দাঁড়াও, এখানে কী করো তুমি?’—সিএনএন সাংবাদিককে ট্রাম্প