ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
চাঁদাবাজির ‘ঢালাও’ অভিযোগ করেছে সালমান, মামলা করলে তদন্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অপরাধী যে দলের হোক না কেন, সরকারকে কঠোর হতে হবে: আসিফ নজরুল শিগগিরই জ্বালানি সংকট কেটে যাবে, আশা জ্বালানিমন্ত্রীর বাংলা সিনেমার মতো ‘ঘটনা ঘটার পরে পুলিশ এসেছে’: আসিফ মাহমুদ ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসির সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়েই বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন ভারতে টানা বৃষ্টিতে ভয়াবহ বন্যা ও ধস, নিহত অন্তত ৫৬ এগিয়ে গিয়েও চাইনিজ তাইপের কাছে হারলো বাংলাদেশের মেয়েরা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলার সঙ্গে শাসক দলের লোকজন জড়িত: মিয়া গোলাম পরওয়ার ঝিনাইদহ সীমান্তে বিএসএফের পুশ-ইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ

হু হু করে পানি ঢুকছে চলনবিলে, দুশ্চিন্তায় কৃষক

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে দেশের অন্যতম বৃহৎ বিলাঞ্চল চলনবিল-এ বাড়ছে পানির চাপ। আত্রাই নদীসহ
  • আপলোড সময় : ৪ মে ২০২৬, সকাল ৯:২৮ সময়
  • আপডেট সময় : ৪ মে ২০২৬, সকাল ৯:২৮ সময়
হু হু করে পানি ঢুকছে চলনবিলে, দুশ্চিন্তায় কৃষক

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে দেশের অন্যতম বৃহৎ বিলাঞ্চল চলনবিল-এ বাড়ছে পানির চাপ। আত্রাই নদীসহ বিভিন্ন খাল দিয়ে দ্রুতগতিতে পানি প্রবেশ করায় বিস্তীর্ণ ধানখেত ডুবে যাওয়ার আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা। ফসল রক্ষায় খালের মুখে মাটির বাঁধ নির্মাণ করে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, পানি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে নাটোর জেলার সিংড়ায় প্রায় ২৬ হাজার হেক্টর এবং গুরুদাসপুরের নিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ জমির বোরো ধান তলিয়ে যেতে পারে। যদিও রোববার নতুন করে বৃষ্টি হয়নি, তবুও নদীর পানির উচ্চতা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি এখনও ঝুঁকিপূর্ণ।


জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে বৃষ্টির কারণে নিচু এলাকার জমিগুলো আগে থেকেই পানির নিচে চলে গেছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে উজানের পানি, যা আত্রাই নদী হয়ে বিভিন্ন খাল ও বিলের মাধ্যমে চলনবিল-এ ঢুকছে। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও কৃষকেরা একযোগে খালের মুখে মাটির বাঁধ দিয়ে পানি ঠেকানোর চেষ্টা করছেন। সিংড়ায় মোট আবাদি জমির একটি বড় অংশের ধান এখনও কাটা হয়নি। একইভাবে গুরুদাসপুরেও হাজার হাজার হেক্টর জমির ধান কাটার বাকি রয়েছে, যা ঘরে তুলতে আরও দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগবে। এর মধ্যেই পানি বাড়তে থাকায় কৃষকদের উদ্বেগ বাড়ছে।


স্থানীয়দের মতে, কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যেমন কতুয়াবাড়ি ও স্লুইসগেট সংলগ্ন অংশ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। ইতোমধ্যে ভাঙা স্লুইসগেট দিয়ে পানি প্রবেশ করছে, যা ঠেকাতে বালুর বস্তা ফেলার মতো জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এদিকে কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে এবং দ্রুত ধান কাটতে আধুনিক যন্ত্র ব্যবহারের আহ্বান জানানো হচ্ছে। তবে পানি বাড়তে থাকলে যেকোনো সময় মাটির বাঁধ ভেঙে গিয়ে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
‘দাঁড়াও, এখানে কী করো তুমি?’—সিএনএন সাংবাদিককে ট্রাম্প

‘দাঁড়াও, এখানে কী করো তুমি?’—সিএনএন সাংবাদিককে ট্রাম্প