ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
যুদ্ধ কারও জন্যই মঙ্গলজনক নয়: ইরানের প্রেসিডেন্ট দুই বছর মানবিক পড়ে পরীক্ষার ২ দিন আগে জানলেন তিনি ‘বাণিজ্য’র ছাত্রী! সংরক্ষিত নারী আসন: মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন মঙ্গলবার জুলাইয়ের শহীদ শিশু জাবিরের মা-কে মনোনয়ন দিয়েছে জামায়াত জোট বিএনপির মনোনয়ন পেলেন সংখ্যালঘু ৪ নারী স্বতন্ত্র জোট থেকে মনোনয়ন পেলেন সাবেক ছাত্রদল নেত্রী জুঁই জেডি ভ্যান্স যুক্তরাষ্ট্রেই, অথচ ট্রাম্প বললেন পাকিস্তানের পথে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ছে না, চুক্তি না হলে আবার যুদ্ধের ইঙ্গিত ট্রাম্পের পরীক্ষার আগের দিনও প্রবেশপত্র পায়নি শিক্ষার্থীরা, প্রতিবাদে রাতেই মহাসড়ক অবরোধ মোহাম্মদপুরসহ রাজধানীর ৬ থানায় একযোগে অভিযান, গ্রেপ্তার ৬০

পার্বত্য অঞ্চলের উৎসবগুলো শুধু আনন্দ আয়োজনের মাধ্যম নয়, এগুলো সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সামাজিক উৎসবগুলো শুধু আনন্দ আয়োজন নয়, বরং এগুলো
  • আপলোড সময় : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, দুপুর ৩:৫ সময়
  • আপডেট সময় : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, দুপুর ৩:৫ সময়
পার্বত্য অঞ্চলের উৎসবগুলো শুধু আনন্দ আয়োজনের মাধ্যম নয়, এগুলো সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সামাজিক উৎসবগুলো শুধু আনন্দ আয়োজন নয়, বরং এগুলো ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বুধবার (১৬ এপ্রিল) সকালে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার চিংমরম বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গণে মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী পানি খেলা বা জল উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


মন্ত্রী বলেন, সাংগ্রাই মারমা সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসব। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষের মিলন ঘটে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ, যেখানে সকল জাতিগোষ্ঠীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে উঠবে। তিনি জানান, এবছর পার্বত্য অঞ্চলের ১১টি জাতিগোষ্ঠী উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে তাদের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব উদযাপন করেছে। তবে অনেক জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে, যা সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন হতে হবে।


মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের এই উৎসবগুলো পারস্পরিক সম্প্রীতির প্রতীক এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এই সংস্কৃতির ধারা পৌঁছে দেওয়া জরুরি। চিংমরম বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গণে আয়োজিত সাংগ্রাই জল উৎসবটি এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়। হাজারো দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে উৎসবস্থল আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে। পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে মারমা সম্প্রদায়ের তরুণ-তরুণীরা একে অপরকে পানি ছিটিয়ে উৎসব উদযাপন করেন।


উথোয়াই মং মারমার সভাপতিত্বে এবং সানুচিং মারমা ও সাচিং উ মারমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী নাচ-গান পরিবেশন করা হয়। পাশাপাশি তরুণ-তরুণীরা জল খেলায় অংশ নেন। পরে ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা ও সাংগ্রাই শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।


উৎসবে অংশ নেওয়া তরুণ-তরুণীরা বলেন, এটি তাদের প্রাণের উৎসব। পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করতেই তারা এ আয়োজনে অংশ নিয়েছেন। উল্লেখ্য, ১৫ এপ্রিল মূল জল উৎসব অনুষ্ঠিত হলেও ১৩ এপ্রিল থেকেই বিহার প্রাঙ্গণে বৈশাখী মেলা শুরু হয়। এ সময় বিভিন্ন ব্যবসায়ী তাদের পণ্য নিয়ে মেলায় অংশ নেন। নববর্ষ উপলক্ষে বৌদ্ধ পূজা, বুদ্ধমূর্তিকে স্নান করানো এবং বয়স্কদের স্নান করানোর মতো ধর্মীয় আচারও পালিত হয়।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিতে ‘মার্কিন ছাড়ের’ খবর ভিত্তিহীন: জ্বালানি বিভাগ

রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিতে ‘মার্কিন ছাড়ের’ খবর ভিত্তিহীন: জ্বালানি বিভাগ