ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে ‘জিরো টলারেন্স’ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই যন্তর মন্তর বিক্ষোভের স্থান নয়: ৩টি নতুন স্থান নির্ধারণ করল দিল্লি পুলিশ হেলথ কার্ড সংগ্রহে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নতুন নির্দেশনা ভারতের একটি রাজনৈতিক দলের বট অ্যাকাউন্ট থেকে গালাগাল করা হচ্ছে: আসিফ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নতুন স্কেলের বেতন পেতে বিলম্বের আশঙ্কা শাহজালালে আচারের বয়ামে মিললো হীরা, সোনা, প্লাটিনাম ও রুবি আন্দোলনকারীদের দেশবিরোধী আখ্যা কঙ্গনার, দেখছেন অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র বিটিআরসি কর্মকর্তার জবানবন্দিতে ইন্টারনেট বন্ধের নেপথ্য কাহিনী নাটোর স্টেশনে চুরি হওয়া সেই জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ উদ্ধার দিল্লিতে বসে আওয়ামী লীগ, দেশে থেকে জামায়াত ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খাঁন

একটি সেতুর অপেক্ষায় তিন ইউনিয়নের হাজারো মানুষ

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের দক্ষিণ সীমান্তবর্তী কলিমাজানি বাজার সংলগ্ন লৌহজং নদীর ওপর নির্মাণাধীন পাকা সেতুর কাজ নির্ধারিত
  • আপলোড সময় : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ৯:২৪ সময়
  • আপডেট সময় : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ৯:২৪ সময়
একটি সেতুর অপেক্ষায় তিন ইউনিয়নের হাজারো মানুষ

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের দক্ষিণ সীমান্তবর্তী কলিমাজানি বাজার সংলগ্ন লৌহজং নদীর ওপর নির্মাণাধীন পাকা সেতুর কাজ নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো শেষ হয়নি। দেড় বছরে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পাঁচ বছর পার হয়ে যাওয়ায় এটি এখন এলাকাবাসীর জন্য বড় ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেতুটির গার্ডার স্থাপন এবং দুই পাশে অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় পুরো প্রকল্পটি অনিশ্চয়তায় পড়েছে। ফলে গোড়াই, বহুরিয়া ও ভাওড়া ইউনিয়নের হাজারো মানুষ প্রতিদিন চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। বর্ষা মৌসুমে খেয়া নৌকা এবং শুকনো সময়ে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই তাদের একমাত্র ভরসা।


সরেজমিনে দেখা গেছে, অসমাপ্ত সেতুর কারণে কলিমাজানি বাজার এলাকায় মানুষের চলাচলে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে ২০২১ সালে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৯২ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৯.৮ মিটার প্রস্থের এই সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রকল্পটির দায়িত্ব পায় মেসার্স সালাম এন্টারপ্রাইজ। তবে কিছু কাজ করার পর নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন অজুহাতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ করে দেয়। এতে করে প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে পড়ে।


স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সেতুটি চালু না হওয়ায় শুধু তিনটি ইউনিয়নই নয়, আশপাশের ধামরাই ও কালিয়াকৈর উপজেলার মানুষও ভোগান্তিতে পড়েছেন। দ্রুত সেতুর কাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন তারা। গোড়াই ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান বলেন, ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে কাজ শেষ হচ্ছে না এবং এতে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানানো হয়েছে।


এদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া না গেলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন জটিলতার কারণে কাজ বন্ধ ছিল। বর্তমানে আবার কাজ শুরু হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. মনিরুল সাজ রিজন জানিয়েছেন, অর্থসংকট ও নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির কারণে কাজ বন্ধ ছিল। অতিরিক্ত বরাদ্দের আবেদন করা হয়েছে এবং কাজ দ্রুত শেষ করার চেষ্টা চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার